প্রতিটি পুলিশ লাইন্সে প্রস্তুত এক প্লাটুন ‘কুইক রেসপন্স টিম’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় প্রত্যেক জেলার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ডিএসবির তত্ত্বাবধানে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেক থানাতেও কন্ট্রোল রুম এবং প্রতিটি পুলিশ লাইন্সে এক প্লাটুন কিউআরটি ফোর্স (কুইক রেসপন্স টিম) প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে তথ্য প্রদান ও সহযোগিতার জন্য কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে পুলিশ সদর দফতর।

পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় প্রত্যেক জেলা পুলিশের কার্যালয়ে ডিএসবির তত্ত্বাবধানে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক থানায়ও কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রতিটি পুলিশ লাইন্সে এক প্লাটুন কুইক রেসপন্স টিম হিসেবে রাখা হয়েছে। ওয়ার্ড মেম্বার, ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ এলাকার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওসিসহ সিনিয়র অফিসারদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের সহযোগিতা নেয়ার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় পুলিশ সদর দফতরও কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে। কন্ট্রোল রুমে ০১৭৬৯-৬৯০০৩৩, ০১৭৬৯-৬৯০০৩৪ নম্বরে এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ বুলবুল পশ্চিমবঙ্গ ও খুলনা উপকূল দিয়ে সমতলে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর থেকে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ১০ মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। এ ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

জেইউ/জেএইচ/পিআর