ফাঁকা সদরঘাট, ছাড়ছে না কোনো লঞ্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৩ পিএম, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ শঙ্কায় ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনাল থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। লঞ্চঘাটে যাত্রীর দেখাও মিলছে না।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সরেজমিনে দেখা যায়, সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ। ঘাটে ভেরানো রয়েছে লঞ্চ। যাত্রীও দেখা যাচ্ছে না।

বরিশালে যাওয়ার জন্য লঞ্চঘাটে এসেছেন লোকমান। তিনি বসে আছেন লঞ্চ ছাড়ার অপেক্ষায়। কিন্তু তাকে লঞ্চের লোকজন জানিয়েছেন, আজ লঞ্চ ছাড়বে না। তাই তিনি যেতে পারছেন না গন্তব্যে।

পারাবত-১২ এর কর্মচারী আলম মিয়া বলেন, আমাদের লঞ্চ ঢাকা থেকে বরিশাল যায়। কিন্তু আজ আমাদের লঞ্চ ছাড়বে না।

ghut

এর আগে ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক (ট্রাফিক) আলমগীর কবির বলেন, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়। সদরঘাট থেকে কোনো রুটে নৌযান ছেড়ে যাবে না।

ইতোমধ্যে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। এ ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

জেএ/জেএইচ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]