ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আসলে কত?

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ১০ নভেম্বর ২০১৯

সরকারের আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তীব্রতা কম হওয়ায় উপকূলীয় অঞ্চলে হতাহতের ঘটনা কম ঘটেছে। তবে শনিবার (৯ নভেম্বর) রাতে ঘূর্ণিঝড়ের থাবায় দেশব্যাপী মৃতের সংখ্যা নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘গাছ চাপা পড়ে নিহত হয়েছেন দুইজন। নিহত দুজনের মধ্যে একজনের নাম প্রমীলা মণ্ডল (৫২), তার বাড়ি খুলনার দাকোপে। তিনি বিনা অনুমতিকে আশ্রয়কেন্দ্র ত্যাগ করে নিজের বাড়িতে যাওয়ার পর রান্নাঘরে গাছ চাপা পড়ে মারা গেছেন আজ সকালে। আরেকজন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মারা গেছেন, তার নাম হামিদ কাজী (৬৫), তার ঘরের ওপর গাছ পড়লে তিনি তাতে চাপা পড়ে মারা যান।’

এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম বলছে, মৃতের সংখ্যা ছয়জন। আহত হয়েছেন ১৫ জন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন গাছ চাপায় ও একজন আশ্রয়কেন্দ্রে স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।

গাছ চাপায় নিহতরা হলেন-পটুয়াখালীর ১ নম্বর মাধবখালী ইউনিয়ন মির্জাগঞ্জের হামিদ ফকির (৬৫), খুলনার দীঘলিয়া সেনহাটির আলমগীর (৪০), খুলনার দাকোপের প্রমিলা মণ্ডল (৫২), বাগেরহাট রামপালের উজলপুরের সামিয়া (১৫) ও মাদারিপুর সদরের ঘাটমাঝি গ্রামের সালেহা বেগম (৬০)। এ ছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকালীন হালিমা খাতুন (৭০) নামে একজন স্বাভাবিক মৃ্ত্যুবরণ করেন। তার বাড়ি বরগুনা সদরের ভানাই গ্রামে।

আহত ১৫ জনের মধ্যে লালমোহনে ৫, চরফ্যাশনে ৩, পটুয়াখালীর দশমিনায় ২, বরগুনা সদরে ৩, খুলনার কয়রা ও সাতক্ষীরা সদরে ১ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি (লালমোহনে ৫, দশমিনা ২, খুলনার কয়রা ও সাতক্ষীরা সদরে ১) করা হয়।

এমইউ/এসআর/এমকেএইচ