মশক নিধনে ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৭ পিএম, ২১ নভেম্বর ২০১৯

শুকনো মৌসুমে কিউলেক্স মশার প্রকোপ বৃদ্ধির আশংকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোড মাঠে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এ অভিযানের পাশাপাশি ২৪ নভেম্বর থেকে ডিএনসিসির সব ওয়ার্ডে দশ দিনব্যাপী কিউলেক্স মশার ৬২৬ প্রজনন স্থলে (হটস্পট) পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশার লার্ভা ধ্বংস করবে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া ডিএনসিসি এলাকায় সকল কচুরিপানা অপসারণ করা হবে।

dncc

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে যে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে তারই ধারাবাহিকতায় কিউলেক্স মশা নিধনে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কীটতত্ত্ববিদদের পরামর্শে মশক নিধনে ইতিমধ্যে বেশকিছু আধুনিক (চতুর্থ প্রজন্মের) যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়েছে। আমরা ২০টি মিক্সড ব্লোয়ার যন্ত্র এনেছি যার সাহায্যে কাভার্ড ড্রেনগুলোর ভিতরে মশার ডিম ও লার্ভা নিধনের কীটনাশক (লার্ভিসাইড) সহজে কার্যকরভাবে স্প্রে করা যাবে। এছাড়া অল্প সময়ে অধিক এলাকায় পূর্ণাঙ্গ মশা মারার কীটনাশক (এডাল্ডিসাইড) ছিটানোর জন্য দুটি ভেহিকেল মাউন্টেড ফগার মেশিন আমদানি করা হয়েছে, আরও তিনটি আমদানি করা হবে। এর ফলে মশক নিধন কার্যক্রমে ডিএনসিসির গতি বৃদ্ধি পাবে।

dncc

যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, এডিস মশা বাসা-বাড়ির আশেপাশে জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে, আর কিউলেক্স মশা বাড়ির সামনে ড্রেনে, ডোবা-নালার ময়লা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই কিউলেক্স মশা ধ্বংস করতে ডোবা-নালাগুলো পরিষ্কার রাখতে হবে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্যানেল মেয়র আলেয়া সারোয়ার ডেইজি, ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম রতন, ফরিদুর রহমান ইরান, মো. শফিউল্লাহ, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এএস/এএইচ/পিআর