গুলশান-বনানীর চেয়েও আধুনিক হবে নতুন ১৮ ওয়ার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৯ পিএম, ২২ নভেম্বর ২০১৯

গুলশান-বনানী থেকেও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন ১৮টি ওয়ার্ডকে আধুনিক করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটির মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, প্রায় ৪২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক নাগরিক সেবা ও সুবিধা দিয়ে সাজানো হবে ডিএনসিসির নতুন ১৮টি ওয়ার্ড।

শুক্রবার রাজধানীর উত্তরখানে মৈনারটেক উচ্চ বিদ্যালয়ে গণউন্নয়ন বিকাশ কেন্দ্র আয়োজিত ‘বেকার যুবক-যুবতীদের ফ্রি কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি-২০১৯’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী নতুন এই ১৮টি ওয়ার্ড যুক্ত করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে। ফলে বর্তমানে ডিএনসিসির আয়তন দাঁড়িয়েছে ১৯২ বর্গ কিলোমিটার। আর এ জন্যই নতুন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের আরও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। আমি নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি আপনাদের উন্নয়নে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আপনারা যেভাবে ডিএনসিসির পাশে ছিলেন, একইভাবে আপনারা সামনের দিনগুলোতেও আমাদের পাশে থাকবেন বলে আশা করছি। এখন আমাদের নতুন ১৮টি ওয়ার্ড সাজাতে হবে, এটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। গুলশান-বনানী থেকেও আধুনিক হবে এই নতুন ১৮টি ওয়ার্ড। এখানে পরিকল্পিত রাস্তা, বাজার, খেলার মাঠ, পার্ক, কমিউনিটি সেন্টার, নারী ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এই নতুন ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়নে সম্ভাব্য সব কিছুই নিশ্চিত করা হবে আপনাদের সেবায়। বিশ্বমানের এলইডি লাইটের মাধ্যমে এই উত্তরখান আলোকিত হবে। গুলশান, বনানীর থেকে কোনো অংশে সুযোগ-সুবিধা কম থাকবে না এখানে, ইনশাআল্লাহ।

আতিকুল ইসলাম বলেন, যুব সমাজ আমাদের সম্পদ, এই সম্পদকে কীভাবে আমরা আরও যথাযথভাবে দেশ গঠনের কাজে লাগাতে পারি, সেজন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার। আর এই যুবকদের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করা। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

গণউন্নয়ন বিকাশ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মিনারা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুর রহমান শফিক, ৪৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইদুর রহমান সরকার, ৪৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মোতালেব মিয়া প্রমুখ।

এএস/জেডএ/এমকেএইচ