কিশোর-কিশোরীদের মনের কথা শুনলেন মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪৫ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯

শিশুবান্ধব শহর গড়ার লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়রের সঙ্গে কিশোর-কিশোরীদের 'আমরাও বলতে চাই' শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার গুলশানে ডিএনসিসি নগর ভবনে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপটির আয়োজন করে ডিএনসিসি স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ইউনেসেফ বাংলাদেশ।

সংলাপে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার কিশোর-কিশোরীরা অংশ নেয়। ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই-এর সভাপতিত্বে সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসি সচিব রবীন্দ্র শ্রী বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মঞ্জুর হোসেন, প্যানেল মেয়র আলেয়া সারোয়ার ডেইজি আইন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, ইউনেসেফ প্রতিনিধি শামিমা সিদ্দিকী প্রমুখ।

সংলাপে অংশ নিয়ে কড়াইল থেকে আগত কিশোরী শারিমন আক্তার বলেন, মেয়েরা কেন মাঠে গিয়ে খেলতে পারবে না? আমরা বাইরে মাঠে গিয়ে খেলতে পারি তার ব্যবস্থা করা হোক।

উত্তরে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা অনেকগুলো খেলার মাঠ-পার্ক করে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। পার্ক-মাঠের কাজ চলছে। এসব পার্কগুলোতে নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর, কিশোরীদের জন্য আলাদা কর্নার করার উদ্যোগ নেব।

mayor-

মিরপুর ১৩ থেকে আগত কিশোর মামুন হাসান বলেন, আমাদের শহরে শিশু শ্রম বেড়ে যাচ্ছে। অল্প বেতনে ছোট গার্মেন্টসে কাজ করে। এছাড়া হারুন মোল্লা মাঠে বড় ভাইয়েরা আমাদের খেলতে দেয় না। খেললে চাঁদা চায়, না দিলে ব্যাট নিয়ে যায়।

উত্তরে মেয়র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি নোট করার পরামর্শ দিয়ে স্থায়ীয় কাউন্সিলরকে এই বিষয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করেন।

mayor-

মিরপুর থেকে আগত আরেক কিশোর বলে, আমাদের অনেক খেলার মাঠে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের মেলা হয়, যে কারণে আমরা খেলতে পারিনা। উত্তরে মেয়র বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন কোনো মাঠে কোন ধরনের মেলা অনুমোদন দেবো না। এসব মাঠে বাচ্চারা খেলবে।

মেয়র আরও বলেন,আমাদের প্রায় ১৭ পার্ক-মাঠে এলইডি লাইট লাগানো হচ্ছে যেন সারাদিন অফিস-কাজ শেষে রাতেও সবাই খেলতে পারে।এছাড়া নারীদের জন্য সময় নির্ধারণ বা কর্নার করে দেয়ার জন্য ব্যবস্থা নেব। আগামী মার্চে বনানীর পার্কে শিশু ও নারীরা খেলতে পারবে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির পানি যেন না জমে থাকে সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

এএস/এনএফ/জেআইএম