শান্তিরক্ষী হিসেবে কঙ্গো গেলেন বিমানবাহিনীর ১৭৫ সদস্য

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত তিনটি কন্টিনজেন্টের ৩২০ জন শান্তিরক্ষী প্রতিস্থাপন করছে। প্রতিস্থাপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিমানবাহিনীর ১৭৫ জন সদস্য জাতিসংঘের ভাড়া করা বিমানে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) কঙ্গোর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। কন্টিনজেন্টের বাকি সদস্যরা পর্যায়ক্রমে কঙ্গো যাবেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এই কন্টিনজেন্টগুলো ইউটিলিটি এভিয়েশন ইউনিট-১৭, এয়ার ফিল্ড সার্ভিসেস ইউনিট-১৭ ও এয়ার ট্রান্সপোর্ট ইউনিট-১০ নিয়ে গঠিত, যার নেতৃত্বে থাকবেন যথাক্রমে এয়ার কমডোর মো. রেজা এমদাদ খান, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. আমিনুর রেজা ইবনে আবেদীন এবং উইং কমান্ডার আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফয়সল।

Biman

উল্লেখ্য, কঙ্গোয় বিবদমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সে দেশের সরকার এবং আপামর জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের অর্জিত এ সুনাম ও সাফল্য অক্ষুণ্ন রেখে শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে যেন আরও উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারে, এ কামনা করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাদের বিদায় জানান।

এর আগে ২৪ নভেম্বর বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত কঙ্গোগামী বিমানবাহিনী কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশে ঘাঁটি বাশার-এ ব্রিফ করেন এবং মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এসময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহ্বান জানান।

জেপি/এসআর/এমএস