রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৭ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯
ফাইল ছবি

রাজধানীর বাজারে গত এক মাসে ১৮টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। গত সেপ্টেম্বর থেকেই পেঁয়াজের ঝাঁজে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। এমন পরিস্থিতিতে আগামী মে মাসে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। রমজান শুরুর দেরি থাকলেও সে সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ে চিন্তিত সরকার।

সে লক্ষ্যে রোববার (৮ ডিসেম্বর) মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বকসী এ তথ্য জানিয়েছেন। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাজধানীর বাজারে গত এক মাসে ১৮টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- চাল, খোলা আটা, খোলা ভোজ্যতেল, সরু দানার মসুর ডাল, আলু ও চিনির মতো পণ্য। পেঁয়াজ অবশ্য মূল্যবৃদ্ধিতে সবার ওপর রয়েছে।

টিসিবির তালিকায় দেখা যায়, এক মাসে চাল ৩-৯ শতাংশ, খোলা আটা ও ময়দা ৭, খোলা ভোজ্যতেল ২-১০, সরু দানার মসুর ডাল ২-৭, মুগডাল ৫, আলু ২৩, পেঁয়াজ ৫৪, শুকনা মরিচ ১৬, দেশি রসুন ৬, হলুদ ১৪, জিরা ৭, দারুচিনি ২, এলাচ ২০, ধনে ৬, তেজপাতা ৪, ইলিশ ৭ ও চিনির ২ শতাংশ মূল্য বেড়েছে।

দাম কমেছে সাতটি পণ্যের। এর মধ্যে রয়েছে- প্যাকেটজাত আটা ১ শতাংশ, তুরস্কের মসুর ডাল ৪, অ্যাংকর ডাল ৬, আমদানি করা রসুন ৩, লবঙ্গ ৯, দেশি ও ব্রয়লার মুরগি ৫-৬ এবং ডিম ৪ শতাংশ।

সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতাই বেশি। বিশেষ করে চাল, খোলা আটা, খোলা তেল, আলু ও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি ভোগাচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষকে। কারণ নিম্ন আয়ের মানুষ খোলা তেল ও আটা বেশি ক্রয় করেন।

এমইউএইচ/এএইচ/পিআর