সমন্বিত কণ্ঠস্বর দুর্নীতিকে স্তব্ধ করে দিতে পারে

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:৩৫ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুর্নীতি বৈশ্বিক সমস্যা বলেই বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি পালন হচ্ছে। এ দেশে এক সময় এ দিবসটি সরকারিভাবে পালন হত না। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে কমিশন এটিকে সরকারিভাবে পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সরকার কমিশনের প্রস্তাবটি আমলে নেয় এবং ২০১৭ সাল থেকেই দিবস সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে। দিবসটি সরকারিভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান আরও সুস্পষ্ট ও সুদৃঢ় হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এসব কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্তা বৃদ্ধি করতে কমিশনের প্রতিটি বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, সকল দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এবং তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠস্বর সততার সংঘের সদস্যদের ইতোমধ্যেই অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের দুর্নীতি বিরোধী সমন্বিত কণ্ঠস্বর দুর্নীতিকে স্তব্ধ করে দিতে পারে। কমিশন অন্তর্ভুক্তিমূলক অভিগমনের মাধ্যমে সমাজের সকল মানুষকে দুর্নীতি বিরোধী প্লাটফর্মে আনার চেষ্টা করছে। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের স্ব-স্ব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতি ঘটার আগেই তা প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত যেমন অভিযান পরিচালনা করছে, আবার দুর্নীতি পরায়ণদের বিরুদ্ধে মামলাও করছে, আদালতে অভিযোগপত্র দিচ্ছে। আবার জনগণের মাঝে দুর্নীতিবিরোধী গণসচেতনা সৃষ্টিতেও কাজ করছে। এসব কাজ যখন সমন্বিত এবং সুসংগঠিতভাবে পরিচালিত হবে তখন দুর্নীতির মাত্রাও কমে আসবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যানজট ও জনহয়রানির কারণে কমিশন এবারও কোনো র্যালি করবে না। তবে দুর্নীতিবিরোধী গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কার্যক্রম, মানববন্ধন, সততা সংঘের সমাবেশ, তথ্যচিত্র প্রদর্শনসহ অন্যান্য কর্মসূচি যথাযথভাবে পালন করা হবে।

মতবিনিমিয় সভায় মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) সারোয়ার মাহমুদ, মহাপরিচালক (প্রশিক্ষণ ও আইসিটি) এ কে এম সোহেল আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি দুদক চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন।

এমইউ/আরএস/এমকেএইচ