এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বাসে আগুনের কারণ অজানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১১ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও কুর্মিটোলায় এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বাসে আগুন লাগার কারণ এখনো অজানা। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক প্রতিবেদনে আগুনের কারণ ‘অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে’ বলে উল্লেখ করেছে। আগুনের পর এ দুই বাসের কোনো যাত্রীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

প্রাথমিক তদন্তে উৎসুক জনতার ভিড় থেকে কয়েকজন ‘প্রত্যক্ষদর্শীর’ সঙ্গে কথা বলেছেন তারা।

উল্লেখ্য, শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ৩টা কারওয়ান বাজারে ট্রাস্ট সার্ভিসেসে এবং ৪টায় কুর্মিটোলায় বিআরটিসির দোতলা বাসে আগুন লাগে।

ফায়ার সার্ভিসের কুর্মিটোলা স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জহিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা দোতলা বাসের (ঢাকা ব-১১-৫৮৯৮) কোনো যাত্রীকে পাইনি। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ছিল তাদের সঙ্গে আগুন নিয়ে কথা বলেছি। তারা বলেছে ইঞ্জিন গরম হয়ে আগুন লাগতে পারে।’

প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কী বলছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা গিয়ে দেখি বাসটি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। চোখের দেখায় বোঝার উপায় নেই, তবে এটি যেহেতু বিআরটিসির সরকারি গাড়ি তাই প্রাথমিক প্রতিবেদনে ‘অধিকতর তদন্ত’ করার বিষয়টি উল্লেখ করেছি।

আগুনের বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহান হক বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে দোতলা বাসটিতে আগুন ধরেছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

কুর্মিটোলার আগুনের ৩৫ মিনিট আগে কারওয়ান বাজারের লাগা আগুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফয়সালুর রহমান। আগুণের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগুনের সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই, আগুন নেভাই। আগুনের লাগার কারণ আমার জানা নাই।’

তবে ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার দুপুরে কারওয়ান বাজারের মিরপুর-শাহবাগ রুটে ট্রাস্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের বাসটিতে (ঢাকা ব-১১-৭৭২০) আগুনের আগে যাত্রীরা ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে। তখনই বাসটি থেমে যায়। এ সময় ওই বাসের ভেতরের যাত্রীরা জানালা ও দরজা দিয়ে বের হয়ে যান। এর অল্প সময় পর পুরো বাসে আগুন ধরে যায়।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে এ দুই ঘটনায় এখনো কোনো অধিকতর তদন্ত কমিটি হয়নি।

এআর/এএইচ/জেআইএম