অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচল দুই শিশু ও তাদের মা

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:১০ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯

‘ভয়ে আমার হাত-পা এখনও কাঁপছে। তাকিয়ে দেখেন গাড়ির ধাক্কায় কীভাবে রিকশার চাকা দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। রিকশা থেকে পড়ে যাওয়ার সময় শুধু দুই সন্তানের দিকে তাকাচ্ছিলাম আর ভাবছিলাম ওরা কি গাড়ির নিচে চাপা পড়ছে।’

আজ (রোববার) আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অদূরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ভয়ার্ত স্বরে এ কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর বঙ্গবাজার সংলগ্ন নিমতলীর বাসিন্দা এক নারী। পাশে দাঁড়ানো আজিমপুর পুরাতন কবরস্থান সংলগ্ন রায়হান স্কুলের ইউনিফর্ম পরিহিত দুই শিশু ফ্যাল ফ্যাল দৃষ্টিতে মায়ের দিকে তাকিয়ে ছিল।

একটু দূরেই রাস্তার মাঝখানে রিকশাটি ভেঙে পড়ে আছে। কারচালক দুর্ঘটনা ঘটিয়ে চলে যেতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী তাকে আটকে ফেলেন। আকস্মিক এ দুর্ঘটনায় হতবিহ্বল ও বিব্রত গাড়িতে বসে থাকা এক নারী। ড্রাইভারকে মারধর করতে দেখে তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন।

এ সময় ঢাবি শিক্ষার্থীরা দরিদ্র রিকশাচালককে ক্ষতিপূরণ না দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে না বলে জানান। এরপর গাড়িতে থাকা ওই নারী তাদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে রিকশাচালকের কাছে জনতে চান রিকশা ঠিক করতে কত টাকা লাগবে?

রিকশাচালক জানান, ১ হাজার টাকা হলেই রিকশা মেরামত করা যাবে। এরপর ওই নারী ১ হাজার টাকা দেন।

এমইউ/এনএফ/পিআর