উগ্রবাদ দমনে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪২ পিএম, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

উগ্রবাদ দমনে মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের স্পষ্ট ধারণা দেয়াসহ সচেতনতামূলক কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে চালু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলে কর্মশালার উদ্বোধন করেন সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট মো. শাহাদাত হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সিআইডি প্রধান বলেন, উগ্রবাদ প্রতিরোধে প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি খুবই সময়োপযোগী। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা উগ্রবাদ বিষয়ে এখান থেকে একটি স্পষ্ট ধারণা পাবেন, যা পরবর্তীতে স্ব-স্ব কর্মস্থলে অন্যান্য সহকর্মীদের সঙ্গে শেয়ারের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে উগ্রবাদ দমনে একটি ধারণা তৈরি হবে।

বিশেষ এই কর্মশালার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা যায়, বর্তমান সরকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি ঘোষণা ও তা বাস্তবায়নে কঠোর নিদের্শনা প্রদান করেছে। ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে কিছু মানুষকে সহিংস উগ্রবাদ বা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়ানো হয়ে থাকে। সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে পারিপার্শ্বিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ধর্মীয় সঠিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে এসব বিপদগামী মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন করে সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

পাশাপাশি নতুন করে কেউ যাতে উগ্রবাদে জড়িয়ে না পড়ে সে জন্য সচেতনতা প্রক্রিয়া জোরদারসহ সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা প্রয়োজন। যেহেতু পুলিশ কর্মকর্তরা নিজ নিজ এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি করতে সক্ষম এবং এ-সংক্রান্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাও বটে। এসব কর্মকর্তাকে উগ্রবাদ দমনে স্পষ্ট ধারণা প্রদানসহ সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় আনা এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।

পুলিশের সন্ত্রাসদমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রতিটি থানার অন্তত একজন সাব-ইন্সপেক্টর/তদন্তকারী কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এই কর্মশালায়। এতে ৬০০ সাব-ইন্সপেক্টর/তদন্তকারী কর্মকর্তাকে উগ্রবাদ দমনে স্পষ্ট ধারণা প্রদান করা হবে। প্রতিটি ব্যাচে ৫০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন।

জেইউ/বিএ/জেআইএম