কেরানীগঞ্জে দগ্ধদের ৬ জন লাইফ সাপোর্টে

ঢামেক প্রতিবেদক
ঢামেক প্রতিবেদক ঢামেক প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৪৫ পিএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির কারখানায় আগুনে দগ্ধদের মধ্যে ছয়জন লাইফ সাপোর্টে বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, মোট ৩১ জন দগ্ধ রোগী এখানে এসেছিল। এদের মধ্যে এখন ছয়জন এই ইনস্টিটিউটে ও আটজন ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে ভর্তি। এদের মধ্যে ছয়জনই লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

রোববার দুপুরে দগ্ধদের দেখতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আসেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল কালাম।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। রোগীরা খুবই গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছে। তাদের চিকিৎসায় সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে। চিকিৎসকরা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীও সবসময় খোঁজখবর রাখছেন।

তিনি আরও বলেন, এদের বিনামূল্য চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। কারও কোনো খরচ করতে হচ্ছে না। এদের জীবন বাঁচানোই এখন প্রথম। শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে যে ছয়জন ভর্তি আছেন তাদের অবস্থা খুবই গুরুতর। তাদের অন্যত্র সরানোর মতো কোনো অবস্থা নেই। কাজেই আমি মনে করি দেশেই চিকিৎসা সম্ভব।

এর আগে আজ সকালে আগুনে দগ্ধ আরও তিনজন মারা যান। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৭ জনে। নিহতরা হলেন- রাজ্জাক এবং মোস্তাকিম, আবু সাঈদ।

উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকায় প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

এ ঘটনায় ৩২ জনকে দগ্ধ অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে ১১ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

এআর/বিএ/জেআইএম