ইসির বিচার দাবি সুজনের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৭ পিএম, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘বিতর্কিত’ করায় নির্বাচন কমিশনারসহ সবার বিচার দাবি করেছে সুশাসনের জন্য নাগরি (সুজন)- এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর (২০১৮) থেকে বস্তুত জাতির জন্য দুঃস্বপ্নের বছর। এজন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া দরকার। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া দরকার।

গত এক বছর নির্বাচন কমিশনের সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সোমবার জাগো নিউজের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

বদিউল আমল মজুমদার বলেন, ‘আমরা তো মনে করি, বিদায়ী বছর (২০১৯) ইসির দুঃস্বপ্নের বছর ছিল। ৩০ ডিসেম্বর থেকে বস্তুত এটা জাতির জন্যও দুঃস্বপ্নের বছর। এ বছর ছিল অকল্পনীয় ও অভাবনীয়। আগের রাতে ভোট হওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের কারচুপি হয়েছে ওই নির্বাচনে। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে এ কারচুপি ও অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘ইসিতে কর্মরতরা এ কাজে যুক্ত ছিলেন। তারা নির্বিকার ছিলেন। তাই জাতি হিসেবে আমরা প্রতারিত হয়েছি। নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, যেসব আসনে ইভিএমে ভোট হয়েছে সেখানে ভোট পড়েছে ৫১ শতাংশ। কিন্তু অন্য কেন্দ্রগুলোতে ৮১ শতাংশ। এটা কিছুতেই হতে পারে না। এতেই প্রমাণিত হয় নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে।’

বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, ‘সারা বছর ধরে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্টতা ও নিরপেক্ষতার অভাব দেখা গেছে। তারা আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে। সরকার বা জনপ্রতিনিধি পরিবর্তন হয় নির্বাচনের মাধমে। কিন্তু সেই ব্যবস্থা এখন নেই। এটা ইসির জন্য কিছু না হলেও জাতির অনেক ক্ষতি হয়েছে।’

নতুন বছরে ইসির কাছে প্রত্যাশার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আসছে বছর তাদের কাছে কিছু আশা করা বা পাওয়ার নেই। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া দরকার। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া দরকার।’

এইচএস/আরএস/এমএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]