৩৬১৪ একর রেলের জমি বেদখলে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৮ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২০

বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমানে ভূমির পরিমাণ ৬১ হাজার ৮২০ দশমিক ৩৫ একর। এর মধ্যে দখলে ৫৮ হাজার ৬০৬ দশমিক ৫৭ একর অর্থাৎ প্রায় ৩ হাজার ৬১৪ একর জমি বেদখলে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে মো. মোজাফফর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। সংসদে রেলমন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক সংসদে এ তথ্য জানান।

রেলমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে রেলের জমি লিজ দেয়া হলেও সেগুলো বেদখল হয়নি। তবে, কিছু কিছু জমির শ্রেণি পরিবর্তন হয়নি।২০০৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ খাত থেকে রেলের আয় হয়েছে ৪৫৯ কোটি ৩৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯০ টাকা। আদায় করা টাকার বাইরে লিজ গ্রহীতাদের কাছে এখনও সংস্থাটির পাওনা ১২৪ কোটি ৪৩ লাখ ৬৯ হাজার ১৯৬ টাকা। যথাসময়ে লাইসেন্স ফি পরিশোধ না করায় বকেয়া রয়েছে। খেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সরকারি পাওনা আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলার সাপেক্ষে আদায়ের পদক্ষেপ চলমান।

বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদেশিদাতা সংস্থাদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বিএনপি-জামায়াত (২০০১-০৬) জোট সরকার রেল বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সরকারের পট পরিবর্তনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে রেলকে রক্ষা করে। বর্তমানে এর ক্ষেত্র বেড়েছে। তবে, লাভ-অলাভজনক বিবেচনায় এটি আকর্ষিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে বেসরকারিখাতে ছেড়ে দেয়া সঠিক হবে না।

বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রীর পক্ষে কৃষিমন্ত্রী বলেন, রেলের অপতিত জমিগুলোকে খাসখতিয়ানে এনে সেখানে সরকারি প্রতিষ্ঠান করার জন্য বিশেষভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। বিএনপির এমপির এ ধরনের প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

এইচএস/জেএইচ/পিআর