সিটি নির্বাচন : কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ খরচই ২৩ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৪৫ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২০

>> নির্বাচন পরিচালনা ব্যয় প্রায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ
>> আইনশৃঙ্খলা ব্যয় প্রায় ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে খরচ ব্যয় ২৩ কোটি টাকার বেশি। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপসচিব পর্যায়ের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্টসহ সিটি নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণে এই টাকা খরচ করবে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই)।

ইসির ওই কর্মকর্তা জানান, এই দুই সিটি নির্বাচনে নির্বাচন পরিচালনা ব্যয় প্রায় ২০ কোটি এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যয় প্রায় ২৫ কোটি বাজেট বরাদ্দ ধরা হয়েছে। এ ছাড়াও নির্বাচন শেষে আনুষঙ্গিক অন্য খরচ বাবদ আরও কিছু বাড়তি খরচ হতে পারে।

এ ছাড়াও এই দুই সিটি নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হচ্ছে। ইভিএম ব্যবহারের খরচ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে প্রশিক্ষণ, নির্বাচন পরিচালনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর খরচ বাবদ যে ৬৮ কোটি টাকা প্রাথমিকভাবে খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে, ইভিএম যুক্ত হওয়ায় এই খরচ আরও অনেক বেড়ে যাবে।

২০০২ সালে ঢাকা সিটির নির্বাচনী খরচ হয়েছিল ১৩ কোটি এবং ২০১৫ সালে দুই সিটির নির্বাচনী খরচ ছিল ৪০ কোটি। তবে এর মধ্যে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ব্যয় যুক্ত ছিল না বলে জানায় ইসি।

ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন এই বাজেট বরাদ্দ প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত তাদের খরচের হিসাব দেয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাড়তি চাহিদা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে ইসিকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে হবে। ফলে আরও বেড়ে যেতে পারে এই নির্বাচনের খরচ।

শিগগিরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসবে ইসি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে তাদের ক’জন সদস্য থাকবে, কয়দিন থাকবে, তাদের স্কেল কী হবে। এসবের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর খরচ নির্ধারিত হবে।

৩০ জানুয়ারি এই দুই সিটিতে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

পিডি/জেএইচ/পিআর