বাংলাদেশের ভিসা পাচ্ছে কাশ্মীরের শিক্ষার্থীরা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫১ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২০

সমালোচনার মুখে কাশ্মীরের মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জরুরি ভিত্তিতে ভিসা ইস্যু করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। কাশ্মীরী শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের ভিসা পাচ্ছে না, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশের পর দিল্লিসহ সংশ্লিষ্ট মিশনগুলোতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

দিল্লির বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার ফরিদ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, কাশ্মীরী শিক্ষার্থীদের কারও ভিসা আবেদন বাতিল করা হয়নি। মূলত মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত কিছু কাজ ঢাকাতে বাকি ছিল। সেখানকার কাজ শেষ না করে আমরা ভিসা ইস্যু করতে পারছিলাম না। এখন তাদের ভর্তির কাজ সম্পন্ন হলেই ভিসা দেয়া প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানান তিনি।

বিষয়টি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আসার হওয়ার পর থেকেই ঢাকা জানিয়ে আসছে, খবরটি যেভাবে এসেছে বিষয়টি তেমন নয়। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট মিথ্যা বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রীও।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ভর্তি প্রক্রিয়ার কিছু কাজ বাকি থাকার কারণে ভিসা ইস্যুতে জটিলতা তৈরি হয়েছিল।

ফরিদ হোসেন বলেন, এবার বিদেশিদের জন্য বাংলাদেশে মেডিকেল ভর্তির নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়। আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের জমাকৃত কাগজপত্র যাচাই এবং তারা যে সিস্টেমে ‘হাইয়ার সেকেন্ডারি’ পড়েছেন বাংলাদেশের এইচএসসিতে পড়ানো বিষয়গুলোর সমমানের কি-না, তার মূল্যায়নে একটি সনদ চাওয়া হয়। এর যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ ঢাকা দিল্লির মিশনকে চূড়ান্ত তালিকা দিলেই ভিসার দেয়ার কাজ শুরু হওয়ার কথা।

তিনি জানান, কাশ্মীরী নয়, এই নিয়ম নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, পাকিস্তানসহ বাংলাদেশে মেডিকেল পড়তে আসা বিদেশি সব শিক্ষার্থীদের জন্য। কিন্তু কিছু উৎসাহী সংবাদপত্র কাশ্মীরী শিক্ষার্থীদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, আপাতত আগে বিদেশি সব শিক্ষার্থীদের ভিসা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সনদের যথার্থতা যাচাই পরে করা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশে পড়তে আসা বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এক্ষেত্রে পররাষ্ট্রসহ স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়। ফলে পুরো প্রক্রিয়াতে কিছুটা সময় লাগে।

জেপি/এমএসএইচ/এমকেএইচ