মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প শিগগিরই একনেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৩ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২০

শিগগিরই মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য ওঠছে বলে জানিয়েছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে জাইকার বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ হিতোশি হিরাতা দেখা করতে এলে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টটি সরকারের একটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। শিগগিরই প্রকল্পটি একনেক সভায় পেশ করা হবে।’

জাইকার চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ প্রকল্প বাস্তবায়নে অফিসিয়াল কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রতিমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ‘মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ বাস্তবায়নে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন করবে। এতে জাইকার ঋণ ১২ হাজার ৮৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। দুই হাজার ৬৭১ কোটি ১৫ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকারের এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থ দুই হাজার ২১৩ কোটি ৯৪ কোটি টাকা।

প্রকল্পের মধ্যে অন্যান্য কাজের সঙ্গে প্রায় ২৮ কিলোমিটার চারলেন বিশিষ্ট সড়ক নির্মিত হবে। এ সড়কে ১৭টি সেতু থাকবে। ১৭টি সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় সাত কিলোমিটার। প্রকল্পের মেয়াদ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। এটি বাস্তবায়িত হলে ১৯ মিটার ড্রাফটের বড় জাহাজ (মাদার ভেসেল) বন্দরে ভিড়তে পারবে। দেশের অর্থনেতিক উন্নয়নে বন্দরটি বিরাট ভূমিকা পালন করবে।

এ সময় নৌপরিবহন সচিব মো. আবদুস সামাদ, যুগ্ম প্রধান রফিক আহম্মদ সিদ্দিক, জাইকার বাংলাদেশের রিপ্রেজেন্টেটিভ ওয়াতারু ওসাওয়া উপস্থিত ছিলেন।

আরএমএম/এএইচ/এমএস