সড়ক নিরাপত্তায় নারীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ব্র্যাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:২৪ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২০

দেশে নারীর ক্ষমতায়নে নারীবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা ও পেশাগত নারী গাড়িচালক তৈরির কার্যক্রম নেই বললেই চলে। ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুল এ সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে। ব্র্যাকের যুগোপযোগী এ পদক্ষেপে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৯৭৩ জন নারী অপেশাদার মৌলিক গাড়িচালনা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।

শনিবার মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ব্র্যাকের আয়োজনে নারী গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণ-পরবর্তী সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

‘উইমেন বিহাইন্ড দ্য হুইল ফর রোড সেফটি’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আখতার।

kader

ব্র্যাকের প্রশাসন এবং সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিচালক আহমেদ নাজমুল হোসাইন জানান, ২০১১ সালে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুল চালু হয়। মূলত পিছিয়ে পড়া পরিবারের সদস্যদের এখানে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিন মাসের আবাসিক প্রশিক্ষণে মৌলিক গাড়িচালনা, সুরক্ষামূলক গাড়িচালনা, সাধারণ মেরামতের কাজ ও পেশাগত আচরণ শেখানো হয়। এখন পর্যন্ত এই স্কুল থেকে অপেশাদার মৌলিক গাড়িচালনা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন সাত হাজার ৩৮৮ জন। যার মধ্যে এক হাজার ৯৭৩ জন নারী। পেশাদার চালক হিসেবে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৭৩ জন। যার মধ্যে ২১৪ জন নারী। ৫৯৯ জন নারীকে মােটরসাইকেল ড্রাইভিং প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। এদের অনেকেই আজ সরকারি, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় উন্নয়ন সংস্থা ও বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে চাকরি করছেন।

kader

২০১১ সাল থেকে ব্র্যাকের কমিউনিটি রোড সেফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রামের আওতায় এ পর্যন্ত ১২ লাখেরও বেশি মানুষ নিরাপদ সড়ক ব্যবহারের প্রশিক্ষণ পেয়েছে। পাঁচ হাজার ৪৫১ জন স্কুলশিক্ষক এবং চার লাখ ৯৮ হাজার ছাত্রছাত্রীকে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, ভবিষ্যতে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুল প্রতিটি জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে চালুর ইচ্ছা আছে। এছাড়া ব্র্যাক একটি রোড সেফটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে ইচ্ছুক। আমরা আশা করি নারী উন্নয়নে এ উদ্যোগকে সরকার দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেবে। ব্র্যাক সড়ক নিরাপত্তার জন্য সরকারের সঙ্গে একযাগে কাজ করবে।

জেইউ/বিএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]