ফেসবুক-ভাইভারে প্রচার, ঝুলে আছে তাবিথের আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫০ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২০

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়ালের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের আবেদনের বিষয়টি নিয়ে জটিলতায় পড়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬-তে এ বিষয়ে বলা না থাকায় প্রচারের অনুমতি প্রদান কিংবা প্রচার থেকে বিরত থাকার কোনো নির্দেশনা দিতে পারছে না ইসি। ফলে আবেদনের ২২ দিন পরও ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে তাবিথের আবেদন।

ইসি সূত্র জানায়, গত ৩ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের অনুমতি চেয়ে উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেমের কাছে আবেদন করেন তাবিথ আউয়াল। তার আবেদনের ১২ দিন পর ১৫ জানুয়ারি ওই চিঠি ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব বরাবর প্রদান করেন আবুল কাসেম। ১০ জানুয়ারি প্রচার শুরু হওয়ায় ওই দিন পঞ্চম দিনের প্রচার চলছিল। এরপর ১০ দিন পার হলেও নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত এর কোনো জবাব দিতে পারেনি।

তবে ইসির উত্তরের অপেক্ষায় এখনও রয়েছেন বলে জানান উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী আচরণবিধি ২০১৬, অনেক আগের। তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম– ফেসবুক, টুইটার বা অন্যগুলো ছিল না। ছিল না বলেই আচরণবিধিতে নাই। আমরা আচরণবিধির বাইরে যেতে পারব না। যেহেতু আচরণবিধিতে এ বিষয়ে কিছু বলা নেই, তাই এ সম্পর্কে তাদের কিছু বলছি না। তবে কমিশনের উত্তরের আশায় রয়েছি।’

গত ৩ জানুয়ারি উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর আবেদনে তাবিথ আউয়াল লেখেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভোটারদের ইচ্ছার প্রতি যথাযথ সম্মান জানিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় বর্তমান সময়ের উপযোগী এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ, ম্যাসেঞ্জার, ফেসবুক, ভাইভার, আইভিআর ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের সদিচ্ছা পোষণ করছি। এ বিষয়াদির আলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহারের অনুমতি প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

গত ১৫ জানুয়ারি ইসি সচিবালয়কে দেয়া চিঠিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা লেখেন, ‘উত্তর সিটি নির্বাচনের বিএনপি সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল তার নির্বাচনী প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। তার আবেদনপত্রটির বিষয়ে সদয় সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।’

ইসি অনুমতি না দিলে কিংবা এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না দিলেও ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনের প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি।

পিডি/এমএআর/পিআর