মনিটরিং সেলে অভিযোগ বাড়ছে, দ্রুত ব্যবস্থার নির্দেশ সিইসির

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ঢাকা সিটি নির্বাচনে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক গঠিত সমন্বিত মনিটরিং সেলে আসা অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেয়া, প্রার্থীদের এজেন্টদের মারধর এবং কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া, অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরাসহ ভয়ভীতি প্রদর্শনের নানা অভিযোগ জমা পড়ছে মনিটরিং সেলে। এখন পর্যন্ত ২১টি অভিযোগ সেখানে জমা পড়েছে বলে জানান মনিটরিং সেলের সমন্বয়ক মেজর রাজু।

তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা জানতে চেয়েছিলেন। তাকে অভিযোগের বিষয়ে জানানো হলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এখন পর্যন্ত সংঘর্ষ, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ২১টি অভিযোগ এসেছে। ঢাকা উত্তরের ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের বড় বেরাইদ ঋষিপাড়ার ১১৭১ নম্বর কেন্দ্রে একজনকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে। সেখানে দায়িত্বরত নির্বাহী হাকিম বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছেন। পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।

cec-01

শনিবার দুপুর পৌনে ১টায় নির্বাচন ভবনের চতুর্থ তলায় মনিটরিং সেল পরিদর্শন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এর আগে মনিটরিং সেলের প্রধান জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে যে অভিযোগগুলো আসছে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছি, এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। আমাদের কাছে বিভিন্ন মাধ্যমেই অভিযোগগুলো আসছে। ভোটারদের বাধা দেয়ার কোনো ঘটনা ঘটলে সে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। মনিটরিং সেল এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।

উল্লেখ্য, ঢাকার দুই সিটিতে (উত্তর ও দক্ষিণ) শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ইভিএমের মাধ্যমে এ ভোটগ্রহণ চলছে। ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ব্যবহার হচ্ছে ২৮ হাজার ৮৭৮টি ইভিএম। তবে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি কম বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

এইচএস/এমএআর/পিআর