বঙ্গবন্ধুর মূল দর্শন ছিল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি অর্জন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৭ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাঙালির মহাজাগরণের পথিকৃৎ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অকুতোভয়। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনও মাথানত করেননি। বঙ্গবন্ধু আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে গেছেন। তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। তার রাজনীতির মূল দর্শন বাঙালির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি অর্জন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ‘বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রাপ্তি- শ্রদ্ধা, ভালোবাসার এক অমলিন স্মৃতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু মানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন এবং বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তিনি বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। ’৬৯ এর ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি এবং ’৭২ এর ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাঙালি জাতির জন্য দুইটি মাইলফলক।

স্পিকার বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালির পরমবন্ধু। জাতির পিতা শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে জীবন্ত কিংবদন্তি তোফায়েল আহমেদ ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন- যা জাতির জন্য গর্বের।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ে দীর্ঘ ২৩ বছর আপসহীন থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত বাঙালির সকল প্রাপ্তিই এসেছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন। তিনি বাঙালি জাতিকে দারিদ্র্য ও বৈষম্য থেকে মুক্ত করার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান একরাম আহমেদ, অভিনেতা মাসুম আজিজ, চিত্রনায়ক রিয়াজ, নাট্যকার এনামুল হক, সাবেক ক্রিকেটার রকিবুল হাসান, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, শিল্পী এবং দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

এইচএস/বিএ/জেআইএম