অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে তিন এলাকায় ডিএনসিসির অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে রাজধানীর উত্তরা, কারওয়ান বাজার ও গুলশান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল- ১) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়ন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল- ৫) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোসলিনা পারভীন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিনাত জিন্নাত এসব এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়ন উত্তরা সেক্টর ৪, ৬, ৭ ও ৯ এ ফুটপাত দখল করে নির্মাণ সামগ্রী রাখা ও বায়ু দূষণ করায় ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং নন্দন ডেভেলপার ফুটপাত দখল করে দীর্ঘদিন রড ও মিকচার মেশিন রাখায় তা প্রকাশ্য নিলামে ১ লাখ ২২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এছাড়া সেক্টর-৬ এ দুটি অবৈধ গেট অপসারণ করা হয়।

jagonews24

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ হোসেন কারওয়ান বাজারে উচ্ছেদ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সেখানে মুরগি পট্টির সামনের ফুটপাতে খাবার হোটেলের মালামাল রাখা, মুরগি রাখা ও জবাই করা ইত্যাদি কারণে ৩৩টি দোকান থেকে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এরপর ইটিভি ভবনের পেছনের গলি হতে প্রায় ৬৫টি ভাসমান দোকান অপসারণ করা হয়।

রোসলিনা পারভীনের পরিচালনায় গুলশান ১ ও ২ এলাকায় রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা, দোকান উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে অপসারণ করা হয় এবং লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করার অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ইংরেজি সাইনবোর্ড ও বিলবোর্ড, অপসারণ করা হয় এবং বাংলা ভাষায় সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, দেয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয় ।

jagonews24

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিনাত জিন্নাতের পরিচালনায় ‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ভবঘুরে ও নিরাশ্রয় ব্যক্তি (পুনর্বাসন) আইন, ২০১১ অনুযায়ী তেজগাঁও ও গুলশান থানাধীন ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষিত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ৪৫ জন ভিক্ষুককে আটক করা হয়। তাদের মাঝে ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে স্বাভাবিক মর্যাদাপূর্ণ স্বাবলম্বী জীবন গড়ার জন্য সচেতনতামূলক ও উদ্বুদ্ধকরণ বক্তব্য প্রদান করা হয়। এছাড়া তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য বিভিন্ন মেয়াদে পুনর্বাসনের আদেশ প্রদানপূর্বক মিরপুরের সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এএস/এমএসএইচ/এমকেএইচ