তরুণদের উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৪ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, ‘তারুণ্য প্রাণশক্তিতে ভরপুর। বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যাই তরুণ। তরুণদের উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে। এসডিজি অর্জনে আমরা আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। তরুণদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য জাতীয় যুব সম্মেলন একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।’

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় উন্নয়নের জন্য তরুণদের ক্ষমতায়ন’ প্রতিপাদ্যে জাগো ফাউন্ডেশনের আয়োজন থেকে কক্সবাজারের লংবিচ হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। চতুর্থ জাতীয় যুব সম্মেলন-২০২০ উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনটি আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

অনুষ্ঠানে জাগো ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক করভি রাকসান্দ বলেন, ‘তরুণ জনগোষ্ঠীরাই সমাজের মেরুদণ্ড। তাদের বিভিন্ন বিষয়ে সম্পৃক্ত করা ও তাদের ক্ষমতায়নে কাজ করা আমাদের দায়িত্ব। তরুণরাই তাদের নিজেদের কমিউনিটির পরিবর্তনে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে এবং বাংলাদেশের এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘তরুণদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারদর্শিতা অর্জন, দীর্ঘ মেয়াদে বিকাশ ও বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ভূমিকা রাখতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ক্ষমতায়নের জন্য উপযোগী প্ল্যাটফর্ম হলো জাতীয় যুব সম্মেলন। এছাড়া এ সম্মেলনের মাধ্যমে তরুণরা ভিন্ন পরিবেশে নিজেদের মানিয়ে নেয়ার প্রয়োজনীয় জ্ঞান লাভের পাশাপাশি প্রায়োগিক বিষয়গুলো সম্পর্কেও ধারণা লাভ করতে পারবে।’

শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আগত প্রতিনিধি, দেশের সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব, মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং সমাজের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক ও সারাদেশ থেকে আগত তরুণদের অংশগ্রহণ সম্মেলনটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশের তরুণ স্বেচ্ছাসেবকরা সম্মেলনে তাদের ভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি, পরিকল্পনা এবং মানুষের উন্নয়নে তাদের কর্মকাণ্ড সবার সামনে তুলে ধরবে।

অন্যদিকে সম্মেলনে আগত অতিথিরা তাদের অভিজ্ঞতা, আইডিয়া, ভবিষ্যতে দেশকে যারা নেতৃত্ব দেবেন সেসব তরুণ সমাজের কাছে তাদের প্রত্যাশার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন। এ সক্রিয় তরুণ নাগরিকরা সম্মেলন শেষে নিজের জেলায় ফিরে গিয়ে নিজেদের কমিউনিটির বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে এবং এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সামনের দিনগুলোতে কাজ করবে।

এ বছর সম্মেলনটিতে সারাদেশ থেকে আগত ৬০০ জন তরুণ অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে ৩০টিরও বেশি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অনুষ্ঠানের সূচনা ও মিশনের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় ও পরের দিনগুলো জ্ঞান বিনিময়, দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা ও তথ্যবহুল কর্মশালা দিয়ে সাজানো হয়েছে।

চার দিনব্যাপী এ সম্মেলনে সুপরিচিত ব্যবসায়ী নেতা ও প্রতিনিধিরা বিভিন্ন কর্মশালায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তাদের মতামত দেবেন।

এইচএস/এফআর/এমকেএইচ