ঢাকা-১০ এ সফল হলে নির্বাচনী প্রচার সংকোচন হবে সব নির্বাচনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৩২ এএম, ০২ মার্চ ২০২০

জনভোগান্তি ও পরিবেশ দূষণের কথা বিবেচনা করে ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচার সংকোচিত করা হয়েছে। প্রার্থীরা ২১টি স্থানের বাইরে পোস্টার করতে পারবেন না। প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনী অফিসের বাইরে মাইকিং করতে পারবেন না। প্রত্যেকে ৫টি করে শোভাযাত্রা করতে পারবেন। কোনো জনসভা করা যাবে না। ভোটের দিনও সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। নির্বাচন কমিশন ও এ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের মাঝে সমঝোতার ভিত্তিতে এভাবে প্রচার সংকোচিত করা হয়েছে।

ঢাকা-১০ আসনে এ পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে বিধি পরিবর্তন করে এটা সব সময় সব নির্বাচনে প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

সোমবার (২ মার্চ) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ভোটার দিবসের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি

নূরুল হুদা বলেন, ‘পরীক্ষামূলকভাবে আমরা শুরু করেছি। ২১টি জায়গায় পোস্টার লাগানোর জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছি। আমরা বলেছি যে, পাড়ায় পাড়ায় মাইক ব্যবহার করা যাবে না। আমরা বলেছি যে, পথসভাও সংকোচিত করতে হবে। এতে কাজ হলে বিধি পরিবর্তন করে এটা প্রয়োগ করব।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা সিটি করপোরেশনের আগের নির্বাচনে দেখেছি যে, পোস্টারে সয়লাভ হয়ে যায়। অন্যান্য জায়গায়ও একই অবস্থা। মাইক ব্যবহার করায় শব্দ দূষণ হয়। এগুলো আমরা প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা আমাদের সমর্থন দিয়েছেন। এটা ইতিবাচক বিষয়। তারা নির্ধিদ্বায় সম্মত হয়েছেন যে, যেভাবে মাইকিং ও পোস্টারিং হলো বিশেষ করে গত সিটি নির্বাচনে, এটা কাম্য নয়।’

নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের ও ভোটারদের আস্থা ফেরাতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ওপরে মানুষের আস্থা নেই বা আছে – এটা নির্ধারিত করে বলার কোনো সুযোগ নেই। ভোটার তারা ভোট দিতে যাবেন, নির্বাচন কমিশন ভোটের ব্যবস্থাপনা করবেন। ব্যবস্থাপনার দিক থেকে যা যা করণীয়, আমরা সব করেছি, করে থাকি বা থাকব। রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ – এগুলো করে থাকি।’

‘ঢাকা সিটি করপোরেশনে এত বড় একটা নির্বাচন হয়ে গেল, শান্তি-শৃঙ্খলা একেবারেই নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই ছিল। এত বড় জায়গায় সামান্য একটু ধাক্কাধাক্কি ছাড়া সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছি আমরা।’

‘ভোটার কেন্দ্রে উপস্থিত না থাকার অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। এর জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী না’,- যোগ করেন নূরুল হুদা।

পিডি/জেডএ/পিআর