শ্রমিকদের জন্য বিশেষ তহবিলকে স্বাগত রুবানা হকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৯ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২০

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য প্রধানমন্ত্রী যে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, সেটিকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।

বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ওই তহবিলের ঘোষণা দিলে ড. রুবানা হক এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

রুবানা হক বলেন, পোশাকশিল্পের এই ক্লান্তিলগ্নে যখন লাখ লাখ শ্রমিক অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছিলেন; ঠিক তখনই তার এই সময়োচিত ঘোষণা। শ্রমিকদের বেতন বাবদ ৫০০০ কোটি টাকার এ তহবিল তাদের জীবন বাঁচাবে। তাই পোশাকশিল্পসহ গোটা রফতানিমুখী খাতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ নিয়ে গার্মেন্টস মালিকরা কিছুটা ভারমুক্ত হলেন। প্রতিমাসে শ্রমিকের মজুরি বাবদ চার হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয় রফতানিমুখী পোশাক কারখানা মালিকদের।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর তার ভাষণে বলেন, করোনার কারণে আমাদের শিল্প উৎপাদন এবং রফতানিবাণিজ্যে আঘাত আসতে পারে। এই আঘাত মোকাবিলায় আমরা কিছু আপদকালীন ব্যবস্থা নিয়েছি। রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য আমি ৫ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। এ তহবিলের অর্থ দ্বারা কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ব্যবসায়-বান্ধব বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী জুন মাস পর্যন্ত কোনো গ্রাহককে ঋণ খেলাপি না করার ঘোষণা দিয়েছে।

‘রফতানি আয় আদায়ের সময়সীমা ২ মাস থেকে বৃদ্ধি করে ৬ মাস করা হয়েছে। একইভাবে আমদানি ব্যয় মেটানোর সময়সীমা ৪ মাস থেকে বৃদ্ধি করে ৬ মাস করা হয়েছে। মোবাইলে ব্যাংকিংয়ে আর্থিক লেনদেনের সীমা বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি এবং গ্যাস বিল পরিশোধের সময়সীমা সারচার্জ বা জরিমানা ছাড়া জুন মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এনজিওগুলোর ঋণের কিস্তি পরিশোধ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।’

এসআই/এইচএ/এমকেএইচ