করোনা : মানবকল্যাণে বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৫৩ এএম, ২৬ মার্চ ২০২০

বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস। ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশেও। সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে সরকার প্রস্তুতি নিলেও এককভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব নয়। তাই দেশের সঙ্কটকালীন এই সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি শিল্প গ্রুপ, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা। ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা উপকরণ, ওষুধ, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী ও মাস্ক সরবরাহ করছে তারা বিনামূল্যে। মানুষকে সচেতন করতে বিভিন্ন পরামর্শের পাশাপশি অনেকে দিচ্ছে আর্থিক সহায়তা। সঙ্কট মোকাবিলায় নেয়া হচ্ছে বিশেষ উদ্যোগ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাসের মতো এ মহামারি সরকারের একার পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই এগিয়ে এসেছেন অনেকে। পাশাপাশি অন্যদেরও সাধ্যমতো এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। সরকারকে বিভিন্ন সহযোগিতার পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করছে এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে বিনামূল্যে বিতরণ করছে করোনা প্রতিরোধের আনুষঙ্গিক পণ্য।

ইতোমধ্যে ৩ হাসপাতালে মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় এই শিল্পগ্রুপ। এ তিন হাসপাতাল হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল জাগো নিউজকে বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ শুরু থেকেই মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে। আমাদের বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার, কর্মী, জরুরিভিত্তিতে যারা মাঠে কাজ করছেন এমন লোকদের মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক উপকরণ দিচ্ছি। এছাড়া করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সংগঠনকে আমরা প্রয়োজনীয় সহায়তা করছি।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে যে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। সেখানে প্রয়োজনীয় খাদ্যের ব্যবস্থা করব। এছাড়া তাদের পণ্য বা উপকরণের প্রয়োজন হলে আমারা তা সরবারহ করব।

নাটোরে গ্রুপের নিজস্ব হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে প্রস্তুত করা হচ্ছে জানিয়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের এ পরিচালক জানান, সেখানে আইসিইউ ব্যবস্থাসহ অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইমারজেন্সি রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ, ভেন্টিলেশন সিস্টেমসহ প্রয়োজনীয় সেবা তাৎক্ষণিক দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কাজ শেষ হয়ে গেছে। আমরা খুব শিগগিরই সেখানে রোগীদের উন্নতমানের চিকিৎসা দিতে পারব। এজন্য বিভিন্ন অভিজ্ঞ লোক খুঁজছি। যারা এখানে ভলেন্টিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারবে।

এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সহযোগিতার জন্য আমরা কাজ করছি। এখন পিপিই সঙ্কট রয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে যদি এসব পণ্য সামগ্রী থাকে তাহলে আমাদের জানাবেন। আমরা নিজ খরচে সেগুলো কিনে হাসপাতালগুলোতে পৌঁছে দেব। এছাড়া এই সঙ্কটকালীন সময়ে যদি কোনো হাসপাতাল, বেসরকারি সংস্থা, অথবা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কোনো সহযোগিতা লাগে তাহলে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ তাদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

দেশের এ সঙ্কটে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে কামরুজ্জামান কামাল বলেন, আমরা ব্যবসা করছি। জনগণ-দেশ বাঁচলে আগামীতেও ব্যবসা করব। তবে এখন উচিত ব্যবসার চিন্তা বাদ দিয়ে কীভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে এগিয়ে আসতে পারি, সে চিন্তা করা। কীভাবে মানুষকে সহায়তা করা যায় এবং কীভাবে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করতে পারি সেই চেষ্টা করা। এজন্য সকল ব্যক্তি ও বিশেষ করে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর এগিয়ে আসা জরুরি।

বেক্সিমকো গ্রুপ
চিকিৎসকদের সুরক্ষার্থে ৬ হাজার বিশেষ গাউন দেবে বেক্সিমকো গ্রুপ। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ক আলোচনাকালে কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এ কথা জানান।

করোনাভাইরাসের এ মহামারির সময়ে এগিয়ে এসেছে বেক্সিমকো গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে থেকে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে ছয় হাজার বিশেষ গাউন প্রস্তুত করা হয়েছে। ২৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন হাসপাতালে এসব গাউন দেয়া হবে। এছাড়াও বেক্সিমকো ও আইএফআইসি ব্যাংক যৌথভাবে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) দেবে। ১৫ কোটি টাকার মূল্যের এ পিপিই বিশেষ ব্যবস্থায় আমদানি করা হচ্ছে। এসব পিপিই পণ্য আইইডিসিআরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হবে।

সামিট গ্রুপ
বিদেশফেরত যাত্রীদের হেলথ স্ক্রিনিং করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে পাঁচটি থার্মাল স্ক্যানার দিয়েছে বেসরকারি সামিট গ্রুপ। সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান এ সময় বলেন, এই সঙ্কটের সময় বিশ্বমানের থার্মাল স্ক্যানারগুলো সরবরাহের মাধ্যমে দেশের সেবার সুযোগ পাওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ। সরকার চাইলে আরও সহযোগিতা করতে প্রস্তত আছি বলে তিনি জানান।

ব্র্যাক
নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এগিয়ে এসেছে বেসরকারি সংস্থা ‘ব্র্যাক’। এ বিষয়ে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, কোভিড-১৯ এর ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্র্যাক অতিদ্রুত তার সমর্থ বৃদ্ধির সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। লাখ লাখ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যবার্তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে মাস্ক তৈরি করতে শুরু করেছি । এখন আমরা দেশেই পিপিই বা সুরক্ষা পোশাক তৈরির বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি।

তিনি বলেন, আমাদের ৪৫ হাজার স্টাফ, ৫০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী সারাদেশে কমিউনিটি লেভেলে কাজ করবে। পাশাপাশি ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমেও একটা ক্যাম্পইনে যাচ্ছি। এখন শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না, সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।

তিনি জানান, ব্র্যাক তার ঋণ কর্মসূচির কিস্তি জমাদান ২৪ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত রেখেছে। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যেও সংক্রমণ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবার্তা ও সাবানসহ অন্য উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্যাকেট তরল সাবান, স্যানিটাইজার ও সাবান বিতরণ, সিটি করপোরেশনগুলোর সহযোগিতায় শহরের বিভিন্ন বস্তি এলাকা এবং জনসমাগমস্থলে হাত ধোয়ার সুবিধা ও গণপরিবহনে জীবাণুনাশক প্রয়োগের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।

যমুনা গ্রুপ
করোনার প্রকোপ থেকে বাঁচতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার বেড়েছে। বাজারে তৈরি হয়েছে সঙ্কট। প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে এগিয়ে এসেছে যমুনা গ্রুপ।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বের সব দেশের মতো আমাদের দেশেও জীবাণুমুক্ত থাকার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চাহিদা এবং সরবরাহের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ ঘাটতি জরুরি ভিত্তিতে পূরণের জন্য আমরা অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করব। বাজারের সর্বনিম্ন মূল্যে ১০০ মিলির বোতল ৬০-৭০ টাকায় এবং ২৫০ মিলির বোতল ১৪০ টাকায় বাজারজাত করার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

রিহ্যাব
এদিকে জাতীয় এ দুর্যোগে প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠন। সঙ্কটময় সময়ে করোনা শনাক্তের কিট কিনতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব)।

সংগঠনটির সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল জাগো নিউজকে জানান, সরকারকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে কিট কেনার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। দেশের এ পরিস্থিতিতে সরকারের পাশে থেকে সহায়তা করা জরুরি। যারা এগিয়ে এসেছে তাদের ধন্যবাদ দিচ্ছি পাশাপাশি অন্যরাও সাধ্যমতো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে এটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

বিজিএমইএ
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারকে এক লাখ পিস মাস্ক দেবে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। সংগঠনটির সভাপতি রুবানা হক বলেন, সাধারণ মানুষের সচেতনতা এবং সুরক্ষার জন্য আমরা সরকারকে এক লাখ পিস মাস্ক দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, কারখানার মালিকরা পর্যাপ্ত মাস্ক তৈরি করে বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে সরবরাহ করছেন। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের গাউন তৈরিতেও বিজিএমইএ’র সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। রুবানা হক বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক ও পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) তৈরিতে বিজিএমইএ সর্বাত্মক সহায়তা করছে। কারখানাগুলো মাস্ক তৈরি করছে এবং প্রতিনিয়ত বিনামূল্যে সরবরাহ করে যাচ্ছে। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ না করলে এই মহামারি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই সবাই যার যার জায়গা থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এসআই/এমএফ/এনএফ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৫,০৬,৪২০
আক্রান্ত

৮৮,১০০
মৃত

৩,১৯,২৯২
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২১৮ ২০ ৩৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,২৫,৮২৮ ১৪,৬০৪ ২২,২০২
স্পেন ১,৪৮,২২০ ১৪,৭৯২ ৪৮,০২১
ইতালি ১,৩৯,৪২২ ১৭,৬৬৯ ২৬,৪৯১
ফ্রান্স ১,১২,৯৫০ ১০,৮৬৯ ২১,২৫৪
জার্মানি ১,১২,১১৩ ২,২০৮ ৩৬,০৮১
চীন ৮১,৮০২ ৩,৩৩৩ ৭৭,২৭৯
ইরান ৬৪,৫৮৬ ৩,৯৯৩ ২৯,৮১২
যুক্তরাজ্য ৬০,৭৩৩ ৭,০৯৭ ১৩৫
১০ তুরস্ক ৩৮,২২৬ ৮১২ ১,৮৪৬
১১ বেলজিয়াম ২৩,৪০৩ ২,২৪০ ৪,৬৮১
১২ সুইজারল্যান্ড ২৩,২৮০ ৮৯৫ ৯,৮০০
১৩ নেদারল্যান্ডস ২০,৫৪৯ ২,২৪৮ ২৫০
১৪ কানাডা ১৯,১৯৫ ৪২৭ ৪,৫৪৮
১৫ ব্রাজিল ১৫,৯২৭ ৮০০ ১২৭
১৬ পর্তুগাল ১৩,১৪১ ৩৮০ ১৯৬
১৭ অস্ট্রিয়া ১২,৯৪২ ২৭৩ ৪,৫১২
১৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,৩৮৪ ২০০ ৬,৭৭৬
১৯ ইসরায়েল ৯,৪০৪ ৭৩ ৮০১
২০ রাশিয়া ৮,৬৭২ ৬৩ ৫৮০
২১ সুইডেন ৮,৪১৯ ৬৮৭ ২০৫
২২ নরওয়ে ৬,০৮৬ ১০১ ৩২
২৩ আয়ারল্যান্ড ৬,০৭৪ ২৩৫ ২৫
২৪ অস্ট্রেলিয়া ৬,০১৩ ৫০ ২,৮১৩
২৫ ভারত ৫,৯১৬ ১৭৮ ৫০৬
২৬ চিলি ৫,৫৪৬ ৪৮ ১,১১৫
২৭ ডেনমার্ক ৫,৪০২ ২১৮ ১,৬২১
২৮ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,২২১ ৯৯ ২৩৩
২৯ পোল্যান্ড ৫,২০৫ ১৫৯ ২২২
৩০ রোমানিয়া ৪,৭৬১ ২২০ ৫২৮
৩১ ইকুয়েডর ৪,৪৫০ ২৪২ ১৪০
৩২ পেরু ৪,৩৪২ ১২১ ১,৩৩৩
৩৩ পাকিস্তান ৪,২৬৩ ৬১ ৪৬৭
৩৪ জাপান ৪,২৫৭ ৯৩ ৬২২
৩৫ মালয়েশিয়া ৪,১১৯ ৬৫ ১,৪৮৭
৩৬ ফিলিপাইন ৩,৮৭০ ১৮২ ৯৬
৩৭ সৌদি আরব ৩,১২২ ৪১ ৬৩১
৩৮ লুক্সেমবার্গ ৩,০৩৪ ৪৬ ৫০০
৩৯ ইন্দোনেশিয়া ২,৯৫৬ ২৪০ ২২২
৪০ মেক্সিকো ২,৭৮৫ ১৪১ ৬৩৩
৪১ সার্বিয়া ২,৬৬৬ ৬৫ ১১৮
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৬৫৯ ১২ ২৩৯
৪৩ ফিনল্যাণ্ড ২,৪৮৭ ৪০ ৩০০
৪৪ থাইল্যান্ড ২,৩৬৯ ৩০ ৮৮৮
৪৫ পানামা ২,২৪৯ ৫৯ ১৬
৪৬ কাতার ২,২১০ ১৭৮
৪৭ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,১১১ ১০৮ ৫০
৪৮ কলম্বিয়া ২,০৫৪ ৫৪ ১২৩
৪৯ গ্রীস ১,৮৮৪ ৮৩ ২৬৯
৫০ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৮৪৫ ১৮ ৯৫
৫১ আর্জেন্টিনা ১,৭১৫ ৬৩ ৩৫৮
৫২ ইউক্রেন ১,৬৬৮ ৫২ ৩৫
৫৩ সিঙ্গাপুর ১,৬২৩ ৪০৬
৫৪ আইসল্যান্ড ১,৬১৬ ৬৩৩
৫৫ আলজেরিয়া ১,৫৭২ ২০৫ ২৩৭
৫৬ মিসর ১,৫৬০ ১০৩ ৩০৫
৫৭ ক্রোয়েশিয়া ১,৩৪৩ ১৯ ১৭৯
৫৮ মরক্কো ১,২৭৫ ৯৩ ৯৭
৫৯ নিউজিল্যান্ড ১,২১০ ২৮২
৬০ ইরাক ১,২০২ ৬৯ ৪৫২
৬১ এস্তোনিয়া ১,১৮৫ ২৪ ৭২
৬২ মলদোভা ১,১৭৪ ২৭ ৪০
৬৩ স্লোভেনিয়া ১,০৯১ ৪০ ১২০
৬৪ বেলারুশ ১,০৬৬ ১৩ ৭৭
৬৫ হংকং ৯৬১ ২৬৪
৬৬ লিথুনিয়া ৯১২ ১৫
৬৭ হাঙ্গেরি ৮৯৫ ৫৮ ৯৪
৬৮ আর্মেনিয়া ৮৮১ ১১৪
৬৯ কুয়েত ৮৫৫ ১১১
৭০ বাহরাইন ৮২৩ ৪৭৭
৭১ আজারবাইজান ৮২২ ৬৩
৭২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮০৪ ৩৪ ৭৯
৭৩ ক্যামেরুন ৭৩০ ১০ ৬০
৭৪ কাজাখস্তান ৭২৭ ৫৪
৭৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৭৬ স্লোভাকিয়া ৬৮২ ১৬
৭৭ তিউনিশিয়া ৬২৮ ২৪ ২৫
৭৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬১৭ ২৯ ৩৫
৭৯ বুলগেরিয়া ৫৯৩ ২৪ ৪২
৮০ লাটভিয়া ৫৭৭ ১৬
৮১ লেবানন ৫৭৬ ১৯ ৬২
৮২ এনডোরা ৫৬৪ ২৩ ৫২
৮৩ উজবেকিস্তান ৫৪৫ ৩০
৮৪ সাইপ্রাস ৫২৬ ৫২
৮৫ কোস্টারিকা ৫০২ ২৯
৮৬ কিউবা ৪৫৭ ১২ ২৭
৮৭ আফগানিস্তান ৪৪৪ ১৪ ২৯
৮৮ উরুগুয়ে ৪২৪ ১৫০
৮৯ ওমান ৪১৯ ৭২
৯০ বুর্কিনা ফাঁসো ৪১৪ ২৩ ১৩৪
৯১ আলবেনিয়া ৪০০ ২২ ১৫৪
৯২ আইভরি কোস্ট ৩৮৪ ৪৮
৯৩ তাইওয়ান ৩৭৯ ৬৭
৯৪ রিইউনিয়ন ৩৫৮ ৪০
৯৫ জর্ডান ৩৫৮ ১৫০
৯৬ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩৫১ ৩৮
৯৭ নাইজার ৩৪২ ১১ ২৮
৯৮ ঘানা ৩১৩ ৩৪
৯৯ হন্ডুরাস ৩১২ ২২
১০০ মালটা ২৯৯ ১৬
১০১ সান ম্যারিনো ২৭৯ ৩৪ ৪০
১০২ নাইজেরিয়া ২৭৬ ৪৪
১০৩ মরিশাস ২৭৩ ১৯
১০৪ কিরগিজস্তান ২৭০ ৩৩
১০৫ ফিলিস্তিন ২৬৩ ৪৪
১০৬ ভিয়েতনাম ২৫১ ১২৬
১০৭ মন্টিনিগ্রো ২৪৮
১০৮ সেনেগাল ২৪৪ ১১৩
১০৯ জর্জিয়া ২১১ ৫০
১১০ বলিভিয়া ২১০ ১৫
১১১ শ্রীলংকা ১৮৯ ৪৪
১১২ ফারে আইল্যান্ড ১৮৪ ১৩১
১১৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৮০ ১৮
১১৪ কেনিয়া ১৭৯
১১৫ মায়োত্তে ১৭১ ২২
১১৬ ভেনেজুয়েলা ১৬৬ ৬৫
১১৭ গিনি ১৬৪
১১৮ আইল অফ ম্যান ১৫৮ ৮২
১১৯ মার্টিনিক ১৫৪ ৫০
১২০ গুয়াদেলৌপ ১৪১ ৪৩
১২১ ব্রুনাই ১৩৫ ৯১
১২২ জিবুতি ১৩৫ ২৫
১২৩ জিব্রাল্টার ১২০ ৬০
১২৪ প্যারাগুয়ে ১১৯ ১৫
১২৫ কম্বোডিয়া ১১৭ ৬৩
১২৬ রুয়ান্ডা ১১০
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১০৭
১২৮ মাদাগাস্কার ৯৩ ১১
১২৯ এল সালভাদর ৯৩
১৩০ গুয়াতেমালা ৮৭ ১৭
১৩১ মোনাকো ৮১
১৩২ লিচেনস্টেইন ৭৮ ৫৫
১৩৩ আরুবা ৭৭ ১৪
১৩৪ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৭৭ ৩৪
১৩৫ টোগো ৭০ ২৩
১৩৬ জ্যামাইকা ৬৩ ১০
১৩৭ বার্বাডোস ৬৩
১৩৮ মালি ৫৯ ১৬
১৩৯ ইথিওপিয়া ৫৫
১৪০ উগান্ডা ৫৩
১৪১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৫১
১৪২ ম্যাকাও ৪৫ ১০
১৪৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৪৫
১৪৪ কঙ্গো ৪৫
১৪৫ বাহামা ৪০
১৪৬ সিন্ট মার্টেন ৪০
১৪৭ জাম্বিয়া ৩৯
১৪৮ বারমুডা ৩৯ ২৩
১৪৯ গায়ানা ৩৭
১৫০ ইরিত্রিয়া ৩৩
১৫১ গিনি বিসাউ ৩৩
১৫২ সেন্ট মার্টিন ৩২
১৫৩ লাইবেরিয়া ৩১
১৫৪ গ্যাবন ৩০
১৫৫ হাইতি ২৭
১৫৬ বেনিন ২৬
১৫৭ তানজানিয়া ২৫
১৫৮ মায়ানমার ২২
১৫৯ লিবিয়া ২১
১৬০ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৬১ সিরিয়া ১৯
১৬২ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৯
১৬৩ অ্যাঙ্গোলা ১৯
১৬৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮
১৬৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৮
১৬৬ মোজাম্বিক ১৭
১৬৭ মঙ্গোলিয়া ১৬
১৬৮ নামিবিয়া ১৬
১৬৯ ডোমিনিকা ১৫
১৭০ লাওস ১৫
১৭১ ফিজি ১৫
১৭২ সেন্ট লুসিয়া ১৪
১৭৩ কিউরাসাও ১৪
১৭৪ সুদান ১৪
১৭৫ গ্রেনাডা ১২
১৭৬ ইসওয়াতিনি ১২
১৭৭ সোমালিয়া ১২
১৭৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১১ ১১
১৭৯ সিসিলি ১১
১৮০ জিম্বাবুয়ে ১১
১৮১ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১১
১৮২ সুরিনাম ১০
১৮৩ চাদ ১০
১৮৪ জান্ডাম (জাহাজ)
১৮৫ নেপাল
১৮৬ মন্টসেরাট
১৮৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক
১৮৮ ভ্যাটিকান সিটি
১৮৯ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৯০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড
১৯১ বেলিজ
১৯২ মালাউই
১৯৩ কেপ ভার্দে
১৯৪ সিয়েরা লিওন
১৯৫ মৌরিতানিয়া
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি
১৯৭ নিকারাগুয়া
১৯৮ বতসোয়ানা
১৯৯ ভুটান
২০০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড
২০১ গাম্বিয়া
২০২ পশ্চিম সাহারা
২০৩
২০৪ এ্যাঙ্গুইলা
২০৫ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ
২০৬ বুরুন্ডি
২০৭ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি
২০৯ দক্ষিণ সুদান
২১০ পূর্ব তিমুর
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।