অর্থনীতির হৃদস্পন্দন চট্টগ্রাম বন্দরেও করোনার থাবা

আবু আজাদ
আবু আজাদ আবু আজাদ , নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২০

ঠিক এক মাস আগে অর্থাৎ গত ১৬ মার্চ চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বীর সতর্কবার্তা উদ্ধৃত করে ‘এই মুহূর্তে করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ। নিষ্ঠুর বাস্তবতা হলো, আজ ওই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কথাগুলো সত্য হতে যাচ্ছে।

মহামারিতে রূপ নেয়া করোনাভাইরাস আজ শহর-গ্রামের ফারাক মানছে না। নারী-পুরুষ কিংবা শিশু, যুবক-বৃদ্ধ; উচ্চবিত্ত বা নিম্নবিত্ত— কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে করোনা যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়া চিকিৎসক ও পুলিশ সদস্যরাও সংক্রমিত। সর্বশেষ করোনার থাবা পড়েছে দেশের অর্থনীতির হৃদস্পন্দন চট্টগ্রাম বন্দরে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতের আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের পাঁচ বাসিন্দাসহ মোট ছয়জনের শরীরে করোনার সংক্রমণের তথ্য দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদের মধ্যে দুজন পুলিশ সদস্য, একজন চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মচারী। এছাড়া এক নারীর মৃত্যুর পর তার করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। তিনিও নগরের বন্দর থানার নিমতলার বাসিন্দা।

গত ১২ এপ্রিল নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের একটি ব্যারাকে নগর ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগের এক পুলিশ কনস্টেবল প্রথমবারের মতো করোনায় আক্রান্ত হন। শনাক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবল ওই ব্যারাকে প্রথম রোগীর সংস্পর্শে ছিলেন। এ ঘটনায় ২০০ পুলিশ সদস্য এবং তিন চিকিৎসকসহ ২২৫ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে পুলিশ লাইন্সের মতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমস্থলে করোনা ছড়িয়ে পড়ায় প্রভাব পড়েছে বাকি পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও। কেউ কেউ বলছেন, দিন-রাত হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর যেখানে একটু শান্তির নিশ্বাস নিতাম সেটাও আর নিরাপদ রইল না।

একইভাবে চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় শনাক্ত হওয়া করোনা রোগী চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি করতেন বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের। এছাড়া মারা যাওয়ার পর মমতাজ বেগম নামে এক নারীর দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মমতাজ বেগম গত ১৩ এপ্রিল মারা যান। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি)’র একজন সহকারী সার্জন তার নমুনা সংগ্রহ করেন। করোনায় মারা যাওয়া ওই নারীর বাড়িও বন্দর থানার নিমতলা এলাকায়।

chitt-port-02

এক মাস আগে সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছিলেন, ‘চট্টগ্রাম জেলা এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আছে। কারণ আমাদের দুটি বন্দর, একটি বিমানবন্দর ও অপরটি সমুদ্রবন্দর। দুটি বন্দর দিয়ে সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এন্ট্রি পয়েন্টেই যদি সংক্রমণকারীকে ঠেকিয়ে দেয়া না যায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।’

ওই সময় ইতালিফেরত প্রবাসীদের কারণে চট্টগ্রামে ঝুঁকির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়। ঠিক এক মাস পর রূঢ় বাস্তবতা এখন দৃশ্যমান। চট্টগ্রামের মানুষ নিজেরাই নিজেদের শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

লকডাউন সত্ত্বেও ঢাকা আর নারায়ণগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামে ফেরা মানুষের ঢল যেমন বন্ধ করা যায়নি, তেমনি বন্ধ করা যায়নি নগরের অলিগলি থেকে রাজপথ, বাজার থেকে ফুটপাতে অযথা ঘুরোঘুরি। তাই যা হওয়ার হয়েছে, চট্টগ্রাম আজ করোনার হটস্পট

নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল ওয়ারিশ এ প্রসঙ্গে জাগো নিউজকে বলেন, দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে প্রথম করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে ছিলেন দুই ট্রাফিক কনস্টেবল। পরে তারাও আক্রান্ত হন। তাদের একজনের বয়স ২৫, অপরজনের ২৬ বছর। নতুন আক্রান্ত ওই দুই পুলিশ সদস্য আগের আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন। তাই তারাও কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। এখন তাদের আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে। গত ১২ এপ্রিল ট্রাফিক পুলিশের যে সদস্য করোনায় আক্রান্ত হন তিনিও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের বিদেশ-গমন কিংবা বিদেশ-ফেরত কারও সংস্পর্শে যাওয়ার ইতিহাস নেই। তাই আশঙ্কা করছি নগরে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই তারা সামাজিক সংক্রমণের শিকার হয়েছেন।

এদিকে তিনদিনের ব্যবধানে তিন পুলিশ সদস্যের মাঝে করোনা শনাক্ত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্সে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পুলিশ সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, দিন-রাত হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর যেখানে একটু শান্তির নিশ্বাস নিতাম সেটাও আর নিরাপদ রইল না।

তিন সদস্য আক্রান্তের পর নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান নগরীতে দায়িত্বরত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সব সদস্যকে আরও সতর্ক হয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে পুলিশ লাইন্সের ট্রাফিক বিভাগের ওই ব্যারাক লকডাউন করা হয়েছে।

এদিকে নগরীর আনোয়ারায় যে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মচারী এবং করোনা শনাক্তের কয়েকদিন আগে তিনি বন্দরে কাজ করেছেন বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের। এমন খবরে চট্টগ্রাম বন্দরে করোনা ছড়িয়ে পরার শঙ্কা দেখছেন বন্দর-সংশ্লিষ্টরা। ঘটনার পরই জরুরি বৈঠক ডেকেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় অপারেটর সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার ক্যাপ্টেন তানভির হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনা সতর্কতায় আমরা শুরু থেকেই সচেতনভাবে কাজ করছি। কিন্তু বন্দরের এক কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরে কিছুটা অস্বস্তিতে আছি।’

chitt-port-02

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (অ্যাডমিন অ্যান্ড প্ল্যানিং) মো. জাফর আলম বলেন, ‘ওই ব্যক্তি কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, সে বিষয়টি প্রথমে শনাক্তের চেষ্টা হচ্ছে। কারণ প্রায় এক মাস আগে থেকে বন্দরের প্রতিটি গেটে হাত ধোয়ার জন্য সাবান ও পানি সরবারহ করেছি আমরা। শ্রমিক বা গাড়ির চালক, যারাই বন্দরের অভ্যন্তরে জেটিতে প্রবেশ করবেন তাদের বেশি সময় সেখানে অবস্থান করতে দেয়া হচ্ছে না। বন্দরে করোনাভাইরাস ঠেকাতে দুদিক থেকে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। বাইরে থেকে যেন ভাইরাসটি বন্দরে প্রবেশ করতে না পারে আবার সমুদ্রপথে প্রবেশ ঠেকাতেও আমরা তৎপর।’

‘এক মাস আগে থেকেই বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় প্রবেশের পর দেশি-বিদেশি সব জাহাজের ক্যাপ্টেনকে বেতার নিয়ন্ত্রণ যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের নাবিকদের শারীরিক অবস্থা জানানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে। তারা সেটি দিচ্ছেনও। এরপর বন্দরের বহির্নোঙরে আসার পর সরকারি মেডিকেল টিম গিয়ে নাবিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন।’

এদিকে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশ থেকে আসা পণ্যবাহী জাহাজের নাবিকদের স্ক্রিনিং ফের সঠিকভাবে করার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবির। সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর জেটি ও বহির্নোঙরে আসা দেশি-বিদেশি জাহাজের নাবিকদের স্ক্রিনিং সঠিকভাবে করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ এপ্রিল নতুন এ নির্দেশনা দেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘চট্টগ্রাম বন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনবল দেয়া হয়েছে। তারপরও জেটি ও বহির্নোঙরে আসা দেশি-বিদেশি জাহাজের নাবিকদের স্ক্রিনিং সঠিকভাবে করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় জাহাজের নিয়মিত পরিদর্শন জোরদারের জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।’

chitt-port-03

বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীন থেকে আসা যেকোনো পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন পূর্ণ করা হচ্ছে। চীনের বন্দর থেকে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসতে ১২/১৩ দিন লাগে। আরও দুদিন অপেক্ষার পর বন্দরের স্বাস্থ্যকর্মীরা বহির্নোঙরে গিয়ে জাহাজে থাকা নাবিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। তাদের দেয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই জাহাজ-কে জেটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু নামমাত্র পরিদর্শন অথবা জাহাজে না গিয়ে সনদে সই করার অভিযোগ ওঠে। ফলে বিদেশি নাবিকদের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে- বলেন তারা।

তবে বন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোতাহার হোসেন বলেন, ‘বন্দর কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী বিদেশ থেকে আসা জাহাজগুলো বহির্নোঙরে অবস্থান করছে। সেখানে গিয়ে মেডিকেল টিম সরেজমিন পরিদর্শন করছে। যে জাহাজ জেটিতে ভিড়ছে তার নাবিকরা জ্বর, সর্দি, কাশি— এসব উপসর্গ আছে কি-না, স্ক্রিনিং করে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত নয় হাজার ৯৮৫ নাবিকের স্ক্রিনিং সম্পন্ন হয়েছে। বন্দর জেটি বা উপকূল থেকে বহির্নোঙরে মেডিকেল টিমের আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে জাহাজের লোকাল শিপিং এজেন্টের দেয়া স্পিডবোট ব্যবহার করা হচ্ছে। এখন থেকে আমরা বন্দরে আসা সব জাহাজ ও বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর নিয়মিত পরিদর্শন আরও জোরদার করব।’

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি জাগো নিউজকে বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরে ১৯ জন এবং উপজেলাগুলোতে ১৩ করোনাভাইরাস পজেটিভ রোগী রয়েছেন। এদের মধ্যে নগরের দামপাড়া এলাকায় পাঁচজন, সাগরিকায় ছয়জন, সড়াইপাড়ায় একজন, হালিশহরে একজন, ফিরিঙ্গিবাজারে একজন, গোলপাহাড়ে একজন, সিডিএ মার্কেটে একজন, কাতালগঞ্জে একজন, উত্তর কাট্টলীতে একজন এবং নিমতলায় (বন্দর) একজন করোনার রোগী রয়েছেন।

এছাড়া সাতকানিয়ায় একজন, সীতাকুণ্ডে একজন, পটিয়ায় দুজন, বোয়ালখালীতে একজন এবং আনোয়ারাতে একজন করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুই নারী, এক শিশু ও এক বৃদ্ধ মারা গেছেন— জানান সিভিল সার্জন।

আবু আজাদ/এমএআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,১১,৭০,১৩৬
আক্রান্ত

৯,৬৪,০৬৫
মৃত

২,২৭,৬৭,৯৬৮
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৪৮,৯১৮ ৪,৯৩৯ ২,৫৬,৫৬৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৬৯,৯৫,২৮৪ ২,০৪,০৬৩ ৪২,৪৩,৪৯৯
ভারত ৫৪,৮৫,৬১২ ৮৭,৯০৯ ৪৩,৯২,৬৫০
ব্রাজিল ৪৫,৩১,৫৩৯ ১,৩৬,৬৭৭ ৩৮,২০,০৯৫
রাশিয়া ১১,০৩,৩৯৯ ১৯,৪১৮ ৯,০৯,৩৫৭
পেরু ৭,৬২,৮৬৫ ৩১,৩৬৯ ৬,০৭,৮৩৭
কলম্বিয়া ৭,৫৮,৩৯৮ ২৪,০৩৯ ৬,২৭,৬৮৫
মেক্সিকো ৬,৯৪,১২১ ৭৩,২৫৮ ৪,৯৬,২২৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৬১,২১১ ১৫,৯৫৩ ৫,৯০,০৭১
১০ স্পেন ৬,৫৯,৩৩৪ ৩০,৪৯৫ ১,৯৬,৯৫৮
১১ আর্জেন্টিনা ৬,২২,৯৩৪ ১২,৯০৯ ৪,৮৮,২৩১
১২ চিলি ৪,৪৬,২৭৪ ১২,২৮৬ ৪,১৯,৭৪৬
১৩ ফ্রান্স ৪,৪২,১৯৪ ৩১,২৭৪ ৯১,৫৭৪
১৪ ইরান ৪,২২,১৪০ ২৪,৩০১ ৩,৫৯,৫৭০
১৫ যুক্তরাজ্য ৩,৯৪,২৫৭ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ সৌদি আরব ৩,২৯,৭৫৪ ৪,৪৮৫ ৩,১০,৪৩৯
১৭ ইরাক ৩,১৯,০৩৫ ৮,৫৫৫ ২,৫৩,৫৯১
১৮ পাকিস্তান ৩,০৫,৬৭১ ৬,৪১৬ ২,৯২,৩০৩
১৯ তুরস্ক ৩,০২,৮৬৭ ৭,৫০৬ ২,৬৭,২৩৩
২০ ইতালি ২,৯৮,১৫৬ ৩৫,৭০৭ ২,১৮,৩৫১
২১ ফিলিপাইন ২,৮৬,৭৪৩ ৪,৯৮৪ ২,২৯,৮৬৫
২২ জার্মানি ২,৭৩,৪৭৭ ৯,৪৭০ ২,৪৩,৫০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৪৪,৬৭৬ ৯,৫৫৩ ১,৭৭,৩২৭
২৪ ইসরায়েল ১,৮৭,৯০২ ১,২৫৬ ১,৩৪,০৬৯
২৫ ইউক্রেন ১,৭৫,৬৭৮ ৩,৫৫৭ ৭৭,৫১২
২৬ কানাডা ১,৪৩,৬৩১ ৯,২১৭ ১,২৪,৬৮৯
২৭ বলিভিয়া ১,৩০,৪৭০ ৭,৫৮৬ ৮৯,০৩২
২৮ ইকুয়েডর ১,২৬,৪১৯ ১১,০৯০ ১,০২,৮৫২
২৯ কাতার ১,২৩,৩৭৬ ২১০ ১,২০,৩০৩
৩০ রোমানিয়া ১,১২,৭৮১ ৪,৪৩৫ ৮৯,৭৭১
৩১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,০৮,২৮৯ ২,০৪৭ ৮১,৬৬৮
৩২ কাজাখস্তান ১,০৭,২৬২ ১,৬৭১ ১,০১,৮৭৭
৩৩ পানামা ১,০৫,৬০১ ২,২৪৭ ৮০,১৯০
৩৪ মিসর ১,০১,৯০০ ৫,৭৫০ ৮৮,৬৬৬
৩৫ মরক্কো ১,০১,৭৪৩ ১,৮৩০ ৮০,৭৩২
৩৬ বেলজিয়াম ১,০০,৭৪৮ ৯,৯৯৬ ১৮,৯৪৫
৩৭ কুয়েত ৯৯,৪৩৪ ৫৮৪ ৯০,১৬৮
৩৮ নেদারল্যান্ডস ৯৩,৭৭৮ ৬,২৭৯ ২৫০
৩৯ ওমান ৯৩,৪৭৫ ৮৪৬ ৮৫,৪১৮
৪০ সুইডেন ৮৮,২৩৭ ৫,৮৬৫ ৪,৯৭১
৪১ চীন ৮৫,২৭৯ ৪,৬৩৪ ৮০,৪৭৭
৪২ গুয়াতেমালা ৮৫,১৫২ ৩,১০৫ ৭৪,৪৯৭
৪৩ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮৪,৯১৬ ৪০৪ ৭৪,২৭৩
৪৪ পোল্যান্ড ৭৯,২৪০ ২,২৯৩ ৬৪,৩০২
৪৫ জাপান ৭৮,০৭৩ ১,৪৯৫ ৭০,৪৯৫
৪৬ বেলারুশ ৭৫,৬৭৪ ৭৮০ ৭৩,২৬৫
৪৭ হন্ডুরাস ৭১,১৪৩ ২,১৬৬ ২১,৮১০
৪৮ ইথিওপিয়া ৬৮,৮২০ ১,০৯৬ ২৮,৩১৪
৪৯ পর্তুগাল ৬৮,৫৭৭ ১,৯১২ ৪৫,৫৯৬
৫০ ভেনেজুয়েলা ৬৫,৯৪৯ ৫৩৯ ৫৫,১৫৫
৫১ বাহরাইন ৬৪,৪৯৯ ২২১ ৫৭,২৯৯
৫২ নেপাল ৬৪,১২২ ৪১১ ৪৬,২৩৩
৫৩ কোস্টারিকা ৬৩,৭১২ ৭০৬ ২৩,৫৫২
৫৪ সিঙ্গাপুর ৫৭,৫৭৬ ২৭ ৫৭,১৮১
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৭,১৪৫ ১,০৯৫ ৪৮,৪৩১
৫৬ উজবেকিস্তান ৫১,৬৪০ ৪৩৩ ৪৭,৯৩২
৫৭ আলজেরিয়া ৪৯,৮২৬ ১,৬৭২ ৩৫,০৪৭
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৪৯,২৮৩ ২,০৪৫ ৪০,৫০০
৫৯ চেক প্রজাতন্ত্র ৪৮,৮৮১ ৫০২ ২৪,৭৪৪
৬০ আর্মেনিয়া ৪৭,৪৩১ ৯৩০ ৪২,৬০৮
৬১ মলদোভা ৪৬,৫৯৬ ১,২০৩ ৩৪,২৩৬
৬২ ঘানা ৪৬,০০৪ ২৯৭ ৪৫,১৫৩
৬৩ কিরগিজস্তান ৪৫,৩৩৫ ১,৪৯৮ ৪১,৪৮৪
৬৪ আজারবাইজান ৩৯,১৮৮ ৫৭৫ ৩৬,৭৫৫
৬৫ আফগানিস্তান ৩৯,০৪৪ ১,৪৪১ ৩২,৫৭৬
৬৬ অস্ট্রিয়া ৩৮,০৯৫ ৭৬৬ ২৯,২২৯
৬৭ কেনিয়া ৩৬,৯৮১ ৬৪৮ ২৩,৮৮৭
৬৮ ফিলিস্তিন ৩৫,৬৮৬ ২৬২ ২৩,৭০০
৬৯ প্যারাগুয়ে ৩৩,০১৫ ৬৩৬ ১৭,৫৩৫
৭০ আয়ারল্যান্ড ৩২,৯৩৩ ১,৭৯২ ২৩,৩৬৪
৭১ সার্বিয়া ৩২,৯০৮ ৭৪১ ৩১,৫১২
৭২ লেবানন ২৯,৩০৩ ২৯৭ ১২,০৪৭
৭৩ লিবিয়া ২৭,৯৪৯ ৪৪৪ ১৫,০৬৮
৭৪ এল সালভাদর ২৭,৫৫৩ ৮১১ ২১,৫৬১
৭৫ অস্ট্রেলিয়া ২৬,৮৯৮ ৮৪৯ ২৪,০৬২
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৫,৪২৮ ৭৬৩ ১৭,৮৭৮
৭৭ দক্ষিণ কোরিয়া ২২,৯৭৫ ৩৮৩ ২০,১৫৮
৭৮ ডেনমার্ক ২২,৯০৫ ৬৩৮ ১৭,৫১৪
৭৯ ক্যামেরুন ২০,৪৩১ ৪১৬ ১৯,১২৪
৮০ আইভরি কোস্ট ১৯,৩২০ ১২০ ১৮,৪৬০
৮১ বুলগেরিয়া ১৮,৮১৯ ৭৫৫ ১৩,৫৫৮
৮২ হাঙ্গেরি ১৭,৯৯০ ৬৮৩ ৪,৩৯১
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৬,৭৩৫ ৬৯৩ ১৩,৮৬৩
৮৪ মাদাগাস্কার ১৬,০৫৩ ২২৩ ১৪,৬৪৬
৮৫ গ্রীস ১৫,১৪২ ৩৩৮ ৯,৯৮৯
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৪,৯২২ ২৪৮ ১২,৫৩৬
৮৭ সেনেগাল ১৪,৭১৪ ৩০২ ১১,২৬০
৮৮ জাম্বিয়া ১৪,১৩১ ৩৩০ ১৩,৩৬৫
৮৯ সুদান ১৩,৫৩৫ ৮৩৬ ৬,৭৫৯
৯০ নরওয়ে ১২,৮৮৩ ২৬৭ ১০,৩৭১
৯১ আলবেনিয়া ১২,৩৮৫ ৩৬২ ৬,৯৪০
৯২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৫১৫ ২৭১ ৯,৯৩০
৯৩ নামিবিয়া ১০,৩৭৭ ১১২ ৮,০৩৩
৯৪ গিনি ১০,২৮৬ ৬৩ ৯,৬৮১
৯৫ মালয়েশিয়া ১০,২১৯ ১৩০ ৯,৩৫৫
৯৬ তিউনিশিয়া ৯,৭৩৬ ১৫৫ ২,৩৮৬
৯৭ মালদ্বীপ ৯,৭২৪ ৩৩ ৮,২৬১
৯৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৬৯২ ৬৫ ৯,৩৪১
৯৯ তাজিকিস্তান ৯,৩৪৬ ৭৩ ৮,১০৮
১০০ ফিনল্যাণ্ড ৮,৯৮০ ৩৩৯ ৭,৭০০
১০১ গ্যাবন ৮,৬৯৬ ৫৩ ৭,৮৪৮
১০২ হাইতি ৮,৬০০ ২২১ ৬,৩৬৩
১০৩ লুক্সেমবার্গ ৭,৯২৮ ১২৪ ৭,১৪০
১০৪ মন্টিনিগ্রো ৭,৮৯৮ ১৩৪ ৫,১২৯
১০৫ জিম্বাবুয়ে ৭,৬৭২ ২২৫ ৫,৯১৪
১০৬ মৌরিতানিয়া ৭,৩৬৫ ১৬১ ৬,৯২৭
১০৭ মোজাম্বিক ৬,৭৭১ ৪৩ ৩,৬২২
১০৮ স্লোভাকিয়া ৬,৬৭৭ ৩৯ ৩,৫৪৮
১০৯ উগান্ডা ৬,২৮৭ ৬৩ ২,৬১৬
১১০ মালাউই ৫,৭৩১ ১৭৯ ৪,০৪০
১১১ মায়ানমার ৫,৫৪১ ৯২ ১,২৬০
১১২ জিবুতি ৫,৪০৩ ৬১ ৫,৩৩৩
১১৩ ইসওয়াতিনি ৫,২৪৫ ১০৪ ৪,৫৭১
১১৪ কেপ ভার্দে ৫,১৮৬ ৫০ ৪,৫৮১
১১৫ কিউবা ৫,০৯১ ১১৫ ৪,৪১২
১১৬ হংকং ৫,০৩৩ ১০৩ ৪,৭০৮
১১৭ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০০২ ৮৩ ৪,৫০৯
১১৮ জ্যামাইকা ৪,৯৮৮ ৬৭ ১,৩৫০
১১৯ কঙ্গো ৪,৯৮৬ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২০ নিকারাগুয়া ৪,৯৬১ ১৪৭ ২,৯১৩
১২১ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৭৮৬ ৬২ ১,৮৩০
১২২ জর্ডান ৪,৭৭৯ ৩০ ২,৮৪৪
১২৩ রুয়ান্ডা ৪,৭১১ ২৬ ২,৯৬১
১২৪ সুরিনাম ৪,৭০৯ ৯৭ ৪,৩৮৩
১২৫ স্লোভেনিয়া ৪,৪২০ ১৪২ ৩,০২৩
১২৬ অ্যাঙ্গোলা ৩,৯০১ ১৪৭ ১,৪৪৫
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩,৮৬৬ ৬৪ ১,৭৫৩
১২৮ সিরিয়া ৩,৮০০ ১৭২ ৯৪৬
১২৯ লিথুনিয়া ৩,৭৪৪ ৮৭ ২,১৯৮
১৩০ আরুবা ৩,৫৫১ ২৩ ২,২৩৯
১৩১ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩২ গাম্বিয়া ৩,৫২৬ ১০৮ ১,৯৯২
১৩৩ থাইল্যান্ড ৩,৫০৬ ৫৯ ৩,৩৪০
১৩৪ জর্জিয়া ৩,৫০২ ১৯ ১,৪৯৪
১৩৫ সোমালিয়া ৩,৪৪২ ৯৮ ২,৮৭৭
১৩৬ গুয়াদেলৌপ ৩,৪২৬ ২৬ ৮৩৭
১৩৭ বাহামা ৩,৩১৫ ৭৪ ১,৬৮৯
১৩৮ শ্রীলংকা ৩,২৮৭ ১৩ ৩,০৮৮
১৩৯ রিইউনিয়ন ৩,১৯৪ ১৫ ২,৪৮২
১৪০ মালি ৩,০১৩ ১২৮ ২,৩৭২
১৪১ এস্তোনিয়া ২,৯২৪ ৬৯ ২,৩৭৭
১৪২ মালটা ২,৭৩১ ২০ ২,০৪৭
১৪৩ দক্ষিণ সুদান ২,৬৪২ ৪৯ ১,২৯০
১৪৪ বতসোয়ানা ২,৫৬৭ ১৩ ৬২৪
১৪৫ আইসল্যান্ড ২,৩৪৬ ১০ ২,১২১
১৪৬ গিনি বিসাউ ২,৩০৩ ৩৯ ১,১২৭
১৪৭ বেনিন ২,২৮০ ৪০ ১,৯৫০
১৪৮ গায়ানা ২,১৬৮ ৬৪ ১,৩৩১
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,১৬৮ ৭২ ১,৬৫০
১৫০ ইয়েমেন ২,০২৬ ৫৮৬ ১,২২৭
১৫১ উরুগুয়ে ১,৯০৪ ৪৬ ১,৬১২
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১,৮১৬ ৫৬ ১,১৭৬
১৫৩ নিউজিল্যান্ড ১,৮১৫ ২৫ ১,৭১৯
১৫৪ টোগো ১,৬৫৯ ৪১ ১,২৫৯
১৫৫ বেলিজ ১,৬০৬ ২০ ৮৭৬
১৫৬ সাইপ্রাস ১,৫৯০ ২২ ১,২৮২
১৫৭ এনডোরা ১,৫৬৪ ৫৩ ১,১৬৪
১৫৮ লাটভিয়া ১,৫২৫ ৩৬ ১,২৪৮
১৫৯ লেসোথো ১,৩৯০ ৩৩ ৭৫৪
১৬০ লাইবেরিয়া ১,৩৩৫ ৮২ ১,২১৬
১৬১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,২৭১ ১,০২৮
১৬২ নাইজার ১,১৮৩ ৬৯ ১,১০৪
১৬৩ চাদ ১,১৫১ ৮১ ৯৬৭
১৬৪ মার্টিনিক ১,১২২ ১৮ ৯৮
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৬৮ ৩৫ ৯৪২
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৬৯
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৬৮ ৫৭২
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৪৪ ৪৮ ৫৭৫
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৫৮৪ ২০ ৪৮৮
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫১৭ ২৩২
১৭২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৩ তাইওয়ান ৫০৭ ৪৭৯
১৭৪ বুরুন্ডি ৪৭৩ ৩৭৪
১৭৫ কমোরস ৪৭০ ৪৫০
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৩৪ ৪১২
১৭৭ মরিশাস ৩৬৬ ১০ ৩৩৮
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৩৬৪ ৩০৫
১৭৯ জিব্রাল্টার ৩৫০ ৩২৩
১৮০ আইল অফ ম্যান ৩৩৯ ২৪ ৩১২
১৮১ সেন্ট মার্টিন ৩৩০ ২০৬
১৮২ মঙ্গোলিয়া ৩১২ ৩০২
১৮৩ কম্বোডিয়া ২৭৫ ২৭৪
১৮৪ ভুটান ২৫৯ ১৯০
১৮৫ কিউরাসাও ২৪৭ ৮৮
১৮৬ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৮ ২০৪
১৮৭ মোনাকো ১৯২ ১৫২
১৮৮ বার্বাডোস ১৮৫ ১৭২
১৮৯ বারমুডা ১৮০ ১৬৬
১৯০ ব্রুনাই ১৪৫ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪১ ১৩৬
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৩ ১০৯
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৬ ৯২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৬৯ ৪৮
১৯৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৬ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৭ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬ ১৭
১৯৮ ফিজি ৩২ ২৬
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৬
২০০ পূর্ব তিমুর ২৭ ২৬
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৬ ২৬
২০২ ডোমিনিকা ২৪ ১৮
২০৩ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৪ লাওস ২৩ ২২
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ২৩ ১৬
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৭
২০৭ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৮ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১১
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]