অর্থনীতির হৃদস্পন্দন চট্টগ্রাম বন্দরেও করোনার থাবা

আবু আজাদ
আবু আজাদ আবু আজাদ , নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২০

ঠিক এক মাস আগে অর্থাৎ গত ১৬ মার্চ চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বীর সতর্কবার্তা উদ্ধৃত করে ‘এই মুহূর্তে করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ। নিষ্ঠুর বাস্তবতা হলো, আজ ওই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কথাগুলো সত্য হতে যাচ্ছে।

মহামারিতে রূপ নেয়া করোনাভাইরাস আজ শহর-গ্রামের ফারাক মানছে না। নারী-পুরুষ কিংবা শিশু, যুবক-বৃদ্ধ; উচ্চবিত্ত বা নিম্নবিত্ত— কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে করোনা যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়া চিকিৎসক ও পুলিশ সদস্যরাও সংক্রমিত। সর্বশেষ করোনার থাবা পড়েছে দেশের অর্থনীতির হৃদস্পন্দন চট্টগ্রাম বন্দরে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতের আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের পাঁচ বাসিন্দাসহ মোট ছয়জনের শরীরে করোনার সংক্রমণের তথ্য দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদের মধ্যে দুজন পুলিশ সদস্য, একজন চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মচারী। এছাড়া এক নারীর মৃত্যুর পর তার করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। তিনিও নগরের বন্দর থানার নিমতলার বাসিন্দা।

গত ১২ এপ্রিল নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের একটি ব্যারাকে নগর ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগের এক পুলিশ কনস্টেবল প্রথমবারের মতো করোনায় আক্রান্ত হন। শনাক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবল ওই ব্যারাকে প্রথম রোগীর সংস্পর্শে ছিলেন। এ ঘটনায় ২০০ পুলিশ সদস্য এবং তিন চিকিৎসকসহ ২২৫ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে পুলিশ লাইন্সের মতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমস্থলে করোনা ছড়িয়ে পড়ায় প্রভাব পড়েছে বাকি পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও। কেউ কেউ বলছেন, দিন-রাত হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর যেখানে একটু শান্তির নিশ্বাস নিতাম সেটাও আর নিরাপদ রইল না।

একইভাবে চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় শনাক্ত হওয়া করোনা রোগী চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি করতেন বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের। এছাড়া মারা যাওয়ার পর মমতাজ বেগম নামে এক নারীর দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মমতাজ বেগম গত ১৩ এপ্রিল মারা যান। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি)’র একজন সহকারী সার্জন তার নমুনা সংগ্রহ করেন। করোনায় মারা যাওয়া ওই নারীর বাড়িও বন্দর থানার নিমতলা এলাকায়।

chitt-port-02

এক মাস আগে সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছিলেন, ‘চট্টগ্রাম জেলা এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আছে। কারণ আমাদের দুটি বন্দর, একটি বিমানবন্দর ও অপরটি সমুদ্রবন্দর। দুটি বন্দর দিয়ে সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এন্ট্রি পয়েন্টেই যদি সংক্রমণকারীকে ঠেকিয়ে দেয়া না যায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।’

ওই সময় ইতালিফেরত প্রবাসীদের কারণে চট্টগ্রামে ঝুঁকির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়। ঠিক এক মাস পর রূঢ় বাস্তবতা এখন দৃশ্যমান। চট্টগ্রামের মানুষ নিজেরাই নিজেদের শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

লকডাউন সত্ত্বেও ঢাকা আর নারায়ণগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামে ফেরা মানুষের ঢল যেমন বন্ধ করা যায়নি, তেমনি বন্ধ করা যায়নি নগরের অলিগলি থেকে রাজপথ, বাজার থেকে ফুটপাতে অযথা ঘুরোঘুরি। তাই যা হওয়ার হয়েছে, চট্টগ্রাম আজ করোনার হটস্পট

নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল ওয়ারিশ এ প্রসঙ্গে জাগো নিউজকে বলেন, দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে প্রথম করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে ছিলেন দুই ট্রাফিক কনস্টেবল। পরে তারাও আক্রান্ত হন। তাদের একজনের বয়স ২৫, অপরজনের ২৬ বছর। নতুন আক্রান্ত ওই দুই পুলিশ সদস্য আগের আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন। তাই তারাও কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। এখন তাদের আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে। গত ১২ এপ্রিল ট্রাফিক পুলিশের যে সদস্য করোনায় আক্রান্ত হন তিনিও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের বিদেশ-গমন কিংবা বিদেশ-ফেরত কারও সংস্পর্শে যাওয়ার ইতিহাস নেই। তাই আশঙ্কা করছি নগরে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই তারা সামাজিক সংক্রমণের শিকার হয়েছেন।

এদিকে তিনদিনের ব্যবধানে তিন পুলিশ সদস্যের মাঝে করোনা শনাক্ত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্সে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পুলিশ সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, দিন-রাত হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর যেখানে একটু শান্তির নিশ্বাস নিতাম সেটাও আর নিরাপদ রইল না।

তিন সদস্য আক্রান্তের পর নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান নগরীতে দায়িত্বরত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সব সদস্যকে আরও সতর্ক হয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে পুলিশ লাইন্সের ট্রাফিক বিভাগের ওই ব্যারাক লকডাউন করা হয়েছে।

এদিকে নগরীর আনোয়ারায় যে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মচারী এবং করোনা শনাক্তের কয়েকদিন আগে তিনি বন্দরে কাজ করেছেন বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের। এমন খবরে চট্টগ্রাম বন্দরে করোনা ছড়িয়ে পরার শঙ্কা দেখছেন বন্দর-সংশ্লিষ্টরা। ঘটনার পরই জরুরি বৈঠক ডেকেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় অপারেটর সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার ক্যাপ্টেন তানভির হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনা সতর্কতায় আমরা শুরু থেকেই সচেতনভাবে কাজ করছি। কিন্তু বন্দরের এক কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরে কিছুটা অস্বস্তিতে আছি।’

chitt-port-02

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (অ্যাডমিন অ্যান্ড প্ল্যানিং) মো. জাফর আলম বলেন, ‘ওই ব্যক্তি কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, সে বিষয়টি প্রথমে শনাক্তের চেষ্টা হচ্ছে। কারণ প্রায় এক মাস আগে থেকে বন্দরের প্রতিটি গেটে হাত ধোয়ার জন্য সাবান ও পানি সরবারহ করেছি আমরা। শ্রমিক বা গাড়ির চালক, যারাই বন্দরের অভ্যন্তরে জেটিতে প্রবেশ করবেন তাদের বেশি সময় সেখানে অবস্থান করতে দেয়া হচ্ছে না। বন্দরে করোনাভাইরাস ঠেকাতে দুদিক থেকে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। বাইরে থেকে যেন ভাইরাসটি বন্দরে প্রবেশ করতে না পারে আবার সমুদ্রপথে প্রবেশ ঠেকাতেও আমরা তৎপর।’

‘এক মাস আগে থেকেই বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় প্রবেশের পর দেশি-বিদেশি সব জাহাজের ক্যাপ্টেনকে বেতার নিয়ন্ত্রণ যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের নাবিকদের শারীরিক অবস্থা জানানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে। তারা সেটি দিচ্ছেনও। এরপর বন্দরের বহির্নোঙরে আসার পর সরকারি মেডিকেল টিম গিয়ে নাবিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন।’

এদিকে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশ থেকে আসা পণ্যবাহী জাহাজের নাবিকদের স্ক্রিনিং ফের সঠিকভাবে করার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবির। সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর জেটি ও বহির্নোঙরে আসা দেশি-বিদেশি জাহাজের নাবিকদের স্ক্রিনিং সঠিকভাবে করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ এপ্রিল নতুন এ নির্দেশনা দেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘চট্টগ্রাম বন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনবল দেয়া হয়েছে। তারপরও জেটি ও বহির্নোঙরে আসা দেশি-বিদেশি জাহাজের নাবিকদের স্ক্রিনিং সঠিকভাবে করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় জাহাজের নিয়মিত পরিদর্শন জোরদারের জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।’

chitt-port-03

বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীন থেকে আসা যেকোনো পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন পূর্ণ করা হচ্ছে। চীনের বন্দর থেকে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসতে ১২/১৩ দিন লাগে। আরও দুদিন অপেক্ষার পর বন্দরের স্বাস্থ্যকর্মীরা বহির্নোঙরে গিয়ে জাহাজে থাকা নাবিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। তাদের দেয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই জাহাজ-কে জেটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু নামমাত্র পরিদর্শন অথবা জাহাজে না গিয়ে সনদে সই করার অভিযোগ ওঠে। ফলে বিদেশি নাবিকদের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে- বলেন তারা।

তবে বন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোতাহার হোসেন বলেন, ‘বন্দর কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী বিদেশ থেকে আসা জাহাজগুলো বহির্নোঙরে অবস্থান করছে। সেখানে গিয়ে মেডিকেল টিম সরেজমিন পরিদর্শন করছে। যে জাহাজ জেটিতে ভিড়ছে তার নাবিকরা জ্বর, সর্দি, কাশি— এসব উপসর্গ আছে কি-না, স্ক্রিনিং করে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত নয় হাজার ৯৮৫ নাবিকের স্ক্রিনিং সম্পন্ন হয়েছে। বন্দর জেটি বা উপকূল থেকে বহির্নোঙরে মেডিকেল টিমের আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে জাহাজের লোকাল শিপিং এজেন্টের দেয়া স্পিডবোট ব্যবহার করা হচ্ছে। এখন থেকে আমরা বন্দরে আসা সব জাহাজ ও বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর নিয়মিত পরিদর্শন আরও জোরদার করব।’

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি জাগো নিউজকে বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরে ১৯ জন এবং উপজেলাগুলোতে ১৩ করোনাভাইরাস পজেটিভ রোগী রয়েছেন। এদের মধ্যে নগরের দামপাড়া এলাকায় পাঁচজন, সাগরিকায় ছয়জন, সড়াইপাড়ায় একজন, হালিশহরে একজন, ফিরিঙ্গিবাজারে একজন, গোলপাহাড়ে একজন, সিডিএ মার্কেটে একজন, কাতালগঞ্জে একজন, উত্তর কাট্টলীতে একজন এবং নিমতলায় (বন্দর) একজন করোনার রোগী রয়েছেন।

এছাড়া সাতকানিয়ায় একজন, সীতাকুণ্ডে একজন, পটিয়ায় দুজন, বোয়ালখালীতে একজন এবং আনোয়ারাতে একজন করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুই নারী, এক শিশু ও এক বৃদ্ধ মারা গেছেন— জানান সিভিল সার্জন।

আবু আজাদ/এমএআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১০,০৯,৪০,৯১৩
আক্রান্ত

২১,৬৯,৯৪৮
মৃত

৭,২৯,৮১,২৪৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৩৩,৪৪৪ ৮,০৭২ ৪,৭৭,৯৩৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৬০,১২,৮১৮ ৪,৩৫,৪৭৫ ১,৫৭,৬৮,৮৮১
ভারত ১,০৬,৯০,২৭৯ ১,৫৩,৭৫১ ১,০৩,৫৯,৩০৫
ব্রাজিল ৮৯,৩৬,৫৯০ ২,১৮,৯১৮ ৭৭,৯৮,৬৫৫
রাশিয়া ৩৭,৭৪,৬৭২ ৭১,০৭৬ ৩২,০২,৪৮৩
যুক্তরাজ্য ৩৬,৮৯,৭৪৬ ১,০০,১৬২ ১৬,৬২,৪৮৪
ফ্রান্স ৩০,৭৯,৯৪৩ ৭৪,১০৬ ২,১৯,১৫২
স্পেন ২৭,৩৩,৭২৯ ৫৬,৭৯৯ ১,৯৬,৯৫৮
ইতালি ২৪,৮৫,৯৫৬ ৮৬,৪২২ ১৯,১৭,১১৭
১০ তুরস্ক ২৪,৪২,৩৫০ ২৫,৩৪৪ ২৩,২২,৫১১
১১ জার্মানি ২১,৬৪,৮০৫ ৫৪,৪৯৬ ১৮,৬৬,০০০
১২ কলম্বিয়া ২০,৪১,৩৫২ ৫২,১২৮ ১৮,৬৪,৯০৪
১৩ আর্জেন্টিনা ১৮,৮৫,২১০ ৪৭,২৫৩ ১৬,৭৪,৫৫৫
১৪ মেক্সিকো ১৭,৮৮,৯০৫ ১,৫২,০১৬ ১৩,৪৮,৬৬০
১৫ পোল্যান্ড ১৪,৮৯,৫১২ ৩৬,০৫৪ ১২,৪৬,২৬৭
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪,২৩,৫৭৮ ৪১,৭৯৭ ১২,৫৪,৬৭৪
১৭ ইরান ১৩,৯২,৩১৪ ৫৭,৬৫১ ১১,৮৩,৪৬৩
১৮ ইউক্রেন ১২,০০,৮৮৩ ২২,২০২ ৯,৮০,০৮৫
১৯ পেরু ১১,০৭,২৩৯ ৪০,১০৭ ১০,২২,৭৩৬
২০ ইন্দোনেশিয়া ১০,২৪,২৯৮ ২৮,৮৫৫ ৮,৩১,৩৩০
২১ নেদারল্যান্ডস ৯,৫৬,৮৬৭ ১৩,৬৬৫ ২৫০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,৫৬,১৫৫ ১৫,৭৯১ ৮,৪১,৫১৮
২৩ কানাডা ৭,৫৭,০২২ ১৯,৪০৩ ৬,৭৮,০৬৮
২৪ রোমানিয়া ৭,১৮,৬১২ ১৮,০১৫ ৬,৬২,৪০০
২৫ চিলি ৭,০৬,৫০০ ১৮,০২৩ ৬,৬২,৪৬০
২৬ বেলজিয়াম ৬,৯৬,৬৪২ ২০,৮৭৯ ৪৮,২২৪
২৭ পর্তুগাল ৬,৫৩,৮৭৮ ১১,০১২ ৪,৭৫,৪৮৫
২৮ ইসরায়েল ৬,১৯,১৫০ ৪,৫৩৯ ৫,৩৮,৬৯১
২৯ ইরাক ৬,১৬,২৫৯ ১৩,০১৮ ৫,৮৬,৩২৭
৩০ সুইডেন ৫,৬০,৪৭২ ১১,৪২৫ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,৩৭,৪৭৭ ১১,৪৫০ ৪,৯২,২০৭
৩২ ফিলিপাইন ৫,১৮,৪০৭ ১০,৪৮১ ৪,৭৫,৬১২
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,১৫,৪৮৩ ৯,২০৪ ৩,১৭,৬০০
৩৪ মরক্কো ৪,৬৭,৪৯৩ ৮,১৮৭ ৪,৪৪,৮২৩
৩৫ অস্ট্রিয়া ৪,০৮,৭৮১ ৭,৫৬৪ ৩,৮৬,৩৫১
৩৬ সার্বিয়া ৩,৮৭,২০৬ ৩,৯২৪ ৩১,৫৩৬
৩৭ জাপান ৩,৬৮,১৪৩ ৫,১৫৮ ৩,০১,৫৪০
৩৮ সৌদি আরব ৩,৬৭,০২৩ ৬,৩৬৩ ৩,৫৮,৫৪৫
৩৯ হাঙ্গেরি ৩,৬১,৮৮১ ১২,১৯৮ ২,৪৬,৫৯৬
৪০ জর্ডান ৩,২২,২৪১ ৪,২৪৮ ৩,১০,০০৫
৪১ পানামা ৩,১৩,৮৩৪ ৫,১৩৭ ২,৬৩,৪৯৫
৪২ লেবানন ২,৮৫,৭৫৪ ২,৪৭৭ ১,৬৮,৭৪৯
৪৩ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৮৫,১৪৭ ৮০৫ ২,৫৯,১৯৪
৪৪ নেপাল ২,৭০,৩৭৫ ২,০২০ ২,৬৫,০৬৯
৪৫ জর্জিয়া ২,৫৫,৫৬৪ ৩,১০৮ ২,৪৫,৫২৭
৪৬ ইকুয়েডর ২,৪২,১৪৬ ১৪,৬৬৮ ২,০৪,০৭১
৪৭ স্লোভাকিয়া ২,৪১,৩৯২ ৪,৩৬১ ২,০২,১৪৮
৪৮ বেলারুশ ২,৪১,১৩৩ ১,৬৭৮ ২,২৭,০৬৮
৪৯ ক্রোয়েশিয়া ২,৩০,৩৫৯ ৪,৯১৩ ২,২২,৩৯৬
৫০ আজারবাইজান ২,২৯,৫৮৪ ৩,১০৫ ২,২১,৭১৭
৫১ বুলগেরিয়া ২,১৬,৪১৬ ৮,৯১৬ ১,৮০,৯৯৫
৫২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,০৬,৩০৫ ২,৫৬৪ ১,৪৯,৮১২
৫৩ বলিভিয়া ২,০৫,২০৮ ১০,১০৫ ১,৫২,৫৫৫
৫৪ তিউনিশিয়া ২,০০,৬৬২ ৬,৩৭০ ১,৪৮,৯৯৫
৫৫ ডেনমার্ক ১,৯৬,৫৪০ ২,০৫০ ১,৮৩,৬৪৭
৫৬ মালয়েশিয়া ১,৯৪,১১৪ ৭০৭ ১,৫১,০১৮
৫৭ কোস্টারিকা ১,৯১,৩৪৫ ২,৫৬৭ ১,৪৯,৮০৮
৫৮ আয়ারল্যান্ড ১,৮৯,৮৫১ ৩,০৬৬ ২৩,৩৬৪
৫৯ কাজাখস্তান ১,৮১,১১৭ ২,৪৭৬ ১,৬৩,১৫৬
৬০ লিথুনিয়া ১,৭৯,২১২ ২,৭১৬ ১,২৩,৫৬২
৬১ আর্মেনিয়া ১,৬৬,৪২৭ ৩,০৫৬ ১,৫৬,০৫৩
৬২ মিসর ১,৬৩,১২৯ ৯,০৬৭ ১,২৭,৪৩৩
৬৩ কুয়েত ১,৬২,৮৬২ ৯৫৭ ১,৫৫,৭৩৯
৬৪ স্লোভেনিয়া ১,৬১,৬৬২ ৩,৪২৫ ১,৪০,৩৫৩
৬৫ ফিলিস্তিন ১,৫৬,৯৯৬ ১,৮০৮ ১,৪৬,৯৩৪
৬৬ মলদোভা ১,৫৬,৯৭২ ৩,৩৮১ ১,৪৭,৩৮০
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৫৫,৪৫৯ ৫,৪৮৬ ১,৪০,৩০৮
৬৮ গ্রীস ১,৫৩,২২৬ ৫,৬৯২ ১,৪১,৬১২
৬৯ কাতার ১,৪৯,৫৯৫ ২৪৮ ১,৪৫,১২৪
৭০ হন্ডুরাস ১,৪২,৮৮০ ৩,৪৮৬ ৬০,৫৯৭
৭১ মায়ানমার ১,৩৮,৩৬৮ ৩,০৮২ ১,২২,৭৮১
৭২ ইথিওপিয়া ১,৩৪,৫৬৯ ২,০৭৫ ১,২০,৭৪৮
৭৩ ওমান ১,৩৩,৫৭৪ ১,৫২৫ ১,২৬,৪৮৬
৭৪ প্যারাগুয়ে ১,২৯,৩৯৪ ২,৬৫১ ১,০৪,৫৭০
৭৫ ভেনেজুয়েলা ১,২৪,৫২৫ ১,১৫৯ ১,১৬,৭৮৫
৭৬ নাইজেরিয়া ১,২৪,২৯৯ ১,৫২২ ৯৯,২৭৬
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,২০,৫৩২ ৪,৬২১ ৯৩,৩৩২
৭৮ লিবিয়া ১,১৬,০৬৪ ১,৮০২ ৯৫,৪০৬
৭৯ আলজেরিয়া ১,০৬,০৯৭ ২,৮৭১ ৭২,৩৩৬
৮০ বাহরাইন ১,০০,৬৮৯ ৩৭০ ৯৭,০০৬
৮১ কেনিয়া ১,০০,৩২৩ ১,৭৫১ ৮৩,৬৯১
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৯১,১৬১ ২,৮১২ ৭৯,৬২১
৮৩ চীন ৮৯,২৭২ ৪,৬৩৬ ৮২,৭৭৪
৮৪ কিরগিজস্তান ৮৪,১৭৫ ১,৪৯৮ ৮০,৩৩০
৮৫ উজবেকিস্তান ৭৮,৫১০ ৬২১ ৭৬,৯৯৭
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৭৬,৪২৯ ১,৩৭৮ ৬৫,৪৭৮
৮৭ আলবেনিয়া ৭৩,৬৯১ ১,৩৩২ ৪৪,৮৮০
৮৮ লাটভিয়া ৬৩,০২৭ ১,১৩৮ ৫১,১২৩
৮৯ ঘানা ৬২,৭৫১ ৩৭৭ ৫৮,৫৬১
৯০ নরওয়ে ৬১,৫৯৪ ৫৫৬ ৫৩,২৯৯
৯১ শ্রীলংকা ৬০,২৩৩ ২৮৮ ৫২,৫৬৬
৯২ সিঙ্গাপুর ৫৯,৩৯১ ২৯ ৫৯,০৮৬
৯৩ মন্টিনিগ্রো ৫৯,২৬২ ৭৭৭ ৫০,৭৫৪
৯৪ আফগানিস্তান ৫৪,৮৯১ ২,৩৯৭ ৪৭,৫৪৯
৯৫ এল সালভাদর ৫৩,৯৮৯ ১,৫৮৯ ৪৭,৬৪৩
৯৬ লুক্সেমবার্গ ৪৯,৮৫২ ৫৭০ ৪৭,১৪৭
৯৭ জাম্বিয়া ৪৮,৯১১ ৬৮৮ ৪১,২৮২
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৪৩,৬১৬ ৬৫৫ ৩১,০০০
৯৯ এস্তোনিয়া ৪১,৯৬৬ ৩৯৮ ৩১,৬৯৫
১০০ উগান্ডা ৩৯,২৬১ ৩১৮ ১৪,০৫১
১০১ উরুগুয়ে ৩৮,৬৮০ ৪০১ ৩০,৮৬১
১০২ মোজাম্বিক ৩৪,০৫৫ ৩৬৩ ২১,৩৪৩
১০৩ নামিবিয়া ৩৩,২৬৫ ৩৩২ ৩১,২১০
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৩২,০০৪ ১,১০৩ ২৩,৪১৩
১০৫ সাইপ্রাস ৩০,২৫২ ১৯০ ২,০৫৭
১০৬ ক্যামেরুন ২৯,৬১৭ ৪৬২ ২৮,০৪৫
১০৭ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৭৮৫ ৯০৯ ২৬,০১৯
১০৮ আইভরি কোস্ট ২৭,২৩৭ ১৪৭ ২৫,১৯৬
১০৯ সুদান ২৬,৫৯৬ ১,৭৫০ ২০,৬৮০
১১০ সেনেগাল ২৫,৪০৭ ৬০১ ২১,১২৫
১১১ কিউবা ২২,৬১৪ ২০০ ১৭,৭০৩
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২২,০৪৮ ৬৬১ ১৪,৯৬৮
১১৩ মালাউই ২০,৮৩০ ৫৪০ ৭,০০৫
১১৪ বতসোয়ানা ২০,৬৫৮ ১২৪ ১৬,৭৯৪
১১৫ অ্যাঙ্গোলা ১৯,৫৫৩ ৪৬২ ১৭,৩৮৮
১১৬ মাদাগাস্কার ১৮,৭৪৩ ২৭৯ ১৭,৯৩০
১১৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৭,৯৬১ ১৩১ ৪,৮৪২
১১৮ মালটা ১৭,১৯২ ২৫৮ ১৪,২৫২
১১৯ মৌরিতানিয়া ১৬,৪৬০ ৪১৮ ১৫,৩৯১
১২০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৫,৭৭৯ ৭৬ ৯,৯৯৫
১২১ থাইল্যান্ড ১৫,৪৬৫ ৭৬ ১১,০৫৪
১২২ মালদ্বীপ ১৫,২৪৭ ৫১ ১৩,৯১৬
১২৩ জ্যামাইকা ১৫,১৫৩ ৩৩৯ ১১,৯১১
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৪,৮৩০ ৫১৭ ৯,৫৪২
১২৫ গিনি ১৪,৪১৭ ৮২ ১৩,৮৬৯
১২৬ রুয়ান্ডা ১৩,৮৮৫ ১৮১ ৮,৮৬১
১২৭ সিরিয়া ১৩,৭৬২ ৮৯৫ ৭,১৮৫
১২৮ কেপ ভার্দে ১৩,৬১৯ ১২৯ ১২,৮৪১
১২৯ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৩০ বেলিজ ১১,৭৮৮ ২৯৩ ১১,১৮৭
১৩১ হাইতি ১১,৩৩১ ২৪৩ ৯,০১০
১৩২ গ্যাবন ১০,৪১১ ৬৭ ১০,০১৩
১৩৩ হংকং ১০,২৮৩ ১৭৫ ৯,১৬২
১৩৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১০,১৫৭ ১১৮ ৮,৪৭২
১৩৫ রিইউনিয়ন ৯,৮৪৩ ৪৫ ৯,২৬১
১৩৬ এনডোরা ৯,৬৩৮ ৯৭ ৮,৭৭৪
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ৯,০৯৭ ১৫৪ ২,২৪২
১৩৮ সুরিনাম ৮,১৭৪ ১৫০ ৭,৩৭৭
১৩৯ বাহামা ৮,১৪০ ১৭৫ ৬,৭৪৬
১৪০ লেসোথো ৮,০৪৭ ১৪৬ ২,৩৯৮
১৪১ মালি ৮,০০৬ ৩২৭ ৫,৭৩১
১৪২ কঙ্গো ৭,৮৮৭ ১১৭ ৫,৮৪৬
১৪৩ মায়োত্তে ৭,৮৮৪ ৬০ ২,৯৬৪
১৪৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৪৯৬ ১৩৪ ৭,০৫৮
১৪৫ গায়ানা ৭,৩৪৬ ১৭২ ৬,৪৫৫
১৪৬ আরুবা ৬,৭৬৮ ৫৭ ৬,৩৪৯
১৪৭ মার্টিনিক ৬,৪০২ ৪৫ ৯৮
১৪৮ নিকারাগুয়া ৬,২৫৩ ১৬৯ ৪,২২৫
১৪৯ আইসল্যান্ড ৬,০০০ ২৯ ৫,৯১৫
১৫০ জিবুতি ৫,৯২৩ ৬২ ৫,৮৪১
১৫১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৪৫৪ ৮৬ ৫,২১৯
১৫২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯৮০ ৬৩ ৪,৮৮৫
১৫৩ সোমালিয়া ৪,৭৫৪ ১৩০ ৩,৬৬৬
১৫৪ টোগো ৪,৬৮২ ৭৬ ৪,০০৫
১৫৫ কিউরাসাও ৪,৫৫৮ ২০ ৪,৪৪২
১৫৬ নাইজার ৪,৪০৭ ১৫৩ ৩,৫৪৪
১৫৭ জিব্রাল্টার ৪,০২৪ ৬৯ ৩,৪০১
১৫৮ গাম্বিয়া ৪,০১২ ১২৮ ৩,৭৫৩
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ৩,৭৮৮ ৬৪ ৩,৫৪২
১৬০ বেনিন ৩,৬৪৩ ৪৮ ৩,৩১৭
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩,৪৯৯ ৭৯ ৩,২২৭
১৬২ চাদ ৩,২২৫ ১১৬ ২,৩১৬
১৬৩ সিয়েরা লিওন ৩,১৯৪ ৭৭ ২,২৩২
১৬৪ সান ম্যারিনো ২,৯১৫ ৬৫ ২,৬৬০
১৬৫ গিনি বিসাউ ২,৫৩২ ৪৫ ২,৪২১
১৬৬ লিচেনস্টেইন ২,৪৫৮ ৫২ ২,৩২৮
১৬৭ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৬৮ কমোরস ২,৪২৫ ৭৭ ১,৪৪১
১৬৯ নিউজিল্যান্ড ২,২৯৫ ২৫ ২,২০১
১৭০ ইরিত্রিয়া ১,৯৭০ ১,৫৩০
১৭১ লাইবেরিয়া ১,৯৩২ ৮৪ ১,৭৩৩
১৭২ সিন্ট মার্টেন ১,৭৬৭ ২৭ ১,৬১১
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ১,৬৬৭ ১,২৩৬
১৭৪ ভিয়েতনাম ১,৫৫১ ৩৫ ১,৪৩০
১৭৫ বুরুন্ডি ১,৪৮১ ৭৭৩
১৭৬ বার্বাডোস ১,৪২৭ ১০ ১,০৫৭
১৭৭ মোনাকো ১,৩৯৯ ১,১৬০
১৭৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১,৩১২ ১,০২০
১৭৯ সেন্ট মার্টিন ১,১৪৬ ১২ ১,০০৬
১৮০ সিসিলি ১,১১৬ ৭৫৪
১৮১ সেন্ট লুসিয়া ৯৬৯ ১৩ ৪৯৩
১৮২ তাইওয়ান ৮৯৩ ৮০৩
১৮৩ ভুটান ৮৫৬ ৭৬৪
১৮৪ পাপুয়া নিউ গিনি ৮৫১ ৮১২
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৯৮ ১৬৫
১৮৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৭ বারমুডা ৬৮৮ ১২ ৬৪৬
১৮৮ ফারে আইল্যান্ড ৬৫৪ ৬৪৫
১৮৯ মরিশাস ৫৬৮ ১০ ৫২৫
১৯০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯১ কম্বোডিয়া ৪৬০ ৪১২
১৯২ আইল অফ ম্যান ৪৩২ ২৫ ৪৫১
১৯৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৮৩ ৩৪৬
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬০ ২৪৪
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩০০ ২০৪
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২০১ ১৭০
১৯৭ ব্রুনাই ১৭৬ ১৬৯
১৯৮ গ্রেনাডা ১৪৮ ১৩৫
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০০ ডোমিনিকা ১১৩ ১০৫
২০১ পূর্ব তিমুর ৬৭ ৫০
২০২ ফিজি ৫৫ ৫৩
২০৩ ম্যাকাও ৪৭ ৪৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৪৪ ৪৩
২০৫ লাওস ৪৪ ৪১
২০৬ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৪১ ৩৪
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৭ ৩৫
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ৩০
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৩ ১৬
২১১ সলোমান আইল্যান্ড ১৭ ১০
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৬ ১৫
২১৩ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]