পৌর কর্মচারীদের জন্য সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩৮ পিএম, ২১ মে ২০২০
ফাইল ছবি

পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধের লক্ষ্যে ত্রাণ তহবিল থেকে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার এ টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।

দেশের ৩২৮টি পৌরসভার ১২ হাজার ৫১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আউউ সোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া আরও ২০ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এই টাকা পাবেন।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় গত ২৬ মার্চ হতে দেশে সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটি চলছে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ৩২৮টি পৌরসভা তাদের সীমিত সম্পদ নিয়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে পৌর এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বিদেশ প্রত্যাগতদের কোয়ারেন্টাইন ও জনসাধারণের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ, জীবানুনাশক স্প্রেকরণ, মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন, কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণে পৌর কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের পাশাপাশি বর্তমানে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এডিস মশা দমনে তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।

জানা গেছে, বর্তমানে পৌরসভার রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক পর্যায়ে না থাকায় অধিকাংশ পৌরসভার বেতনভাতা বকেয়া ছিল। করোনা পরিস্থিতির কারণে পৌরসভার নিয়মিত রাজস্ব আদায়ের খাত হেল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, হাট-বাজারের ইজারা প্রদান দোকানভাড়াসহ যাবতীয় রাজস্ব আয় প্রায় দুইমাস যাবত বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া জরুরি সেবা প্রদানের জন্য ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্রায় সব পৌরসভার কর্মকর্মা/কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদাণ দুরূহ হয়ে পড়েছে। বেতন না পেয়ে দুই মাস পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করেছেন।

এ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমেও খবর প্রকাশ হচ্ছে। গত ২৩ মার্চ জাগো নিউজে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ ১০ মাস, তবুও স্বস্তিতে পৌরমেয়র শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়।

খবরে বলা হয়, 'রাজশাহীর কাঁকনহাট পৌরসভার ৩০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে ১০ মাস। এতে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন কর্মীরা। অভিযোগ উঠেছে মেয়রের অব্যবস্থাপনায় বেতন হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে এই অব্যবস্থাপনা। এতে ক্ষুদ্ধ কর্মীরা।'

বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিগোচর হলে তিনি ২৫ কোটি টাকার অনুদান দেন।

এইউএ/জেডএ/জেআইএম