পাটকল বন্ধ নয়, ১২০০ কোটি ব্যয়ে উৎপাদন হবে তিনগুণ

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:১৪ পিএম, ৩০ জুন ২০২০

রাষ্ট্রীয় পাটকল বন্ধ এবং শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদ করেছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। তারা বলেন, পাটকল বন্ধ নয় বরং ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক করা হলে শ্রমিক ছাঁটাই করতে হতো না, উৎপাদন তিনগুণ বাড়ানো সম্ভব হতো। এ বিষয়ে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতিবাজ আমলা, ভুল নীতি, বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে হস্তগত করার কায়েমি স্বার্থের কারণে দেশের রাষ্ট্রীয় কারখানাগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি এই আহ্বান জানান স্কপ নেতারা।

স্কপ নেতা ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামরুল আহসান, জাতীয় শ্রমিক জোটের কার্যকরী সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, ট্রেড ইউনিয়ন সঙ্ঘের সাবেক সভাপতি খলিলুর রহমান, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল।

নেতারা বলেন, যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা রাষ্ট্রীয় পাটকল লুটপাটকারীদের হাতে ছেড়ে দেয়া যায় না। পাটকল বন্ধ করা নয়, যাদের ভুল নীতি ও দুর্নীতির কারণে পাটকল লোকসান করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। 

তারা স্কপ প্রদত্ত সুপারিশ বাস্তবায়ন, কারখানাসমূহ আধুনিকায়ন এবং শ্রমিকদের আধুনিক মেশিন চালানোর উপযোগী প্রশিক্ষণ দেয়ার দাবি করেন এবং কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। 

নেতারা বলেন, আমলাদের দুর্নীতি আর ভুল নীতির কারণে যে লোকসান সেটি আড়াল করা আর লোকসানের অজুহাতে বেসরকারীকরণের বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ বাস্তবায়নের এই পদক্ষেপে শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি, চাকরির নিরাপত্তাসহ শ্রম অধিকার নিয়ে দরকষাকষির ন্যূনতম সক্ষমতাটুকুও হারাবে। তাই শ্রমিক স্বার্থবিরোধী এ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারে না শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।

এফএইচএস/এমএআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]