ওয়াসার পানির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গণবিরোধী : খালেকুজ্জামান

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৪৫ পিএম, ৩০ জুন ২০২০

ওয়াসার পানির দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে পানির দাম বৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে খালেকুজ্জামান বলেন, করোনা দুর্যোগের এই অস্বাভাবিক সময়ে পানির দাম বৃদ্ধির ঘোষণা করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কর্মহীন মানুষের উপর নতুন দুর্যোগ নামিয়ে আনবে।

বিৃবতিতে আরও বলা হয়, ওয়াসা সেবার মান না বাড়িয়ে, পানির গুণগত মান উন্নয়ন না করে দফায় দফায় দাম বাড়িয়ে জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে চলেছে। দাম বৃদ্ধির সময় বিশ্বের উন্নত শহরের পানির দামের সঙ্গে ঢাকা শহরের তুলনা করা হয় কিন্তু ওইসব শহরের সেবার ও পানির গুণগত মানের সঙ্গে তুলনা করা হয় না। গত ১২ বছরে ওয়াসা ১৪ বার পানির দাম বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে এবং শতভাগ দাম বৃদ্ধি করেছে। বিভিন্ন এলাকায় গরমকালে পানির সংকট দেখা যায় এবং কোনো কোনো এলাকায় পানি কালো ময়লা যুক্ত, মবিলের মতো যা ব্যবহারের অযোগ্য। আবার কোনো এলাকায় পানির সঙ্গে পোকা-মাকড় পর্যন্ত পাওয়া যায়।

গত বছর ২২ এপ্রিল ময়লাযুক্ত ব্যবহার অনুপযোগী পানি নিয়ে জুরাইনের বাসিন্দা মিজান গিয়েছিলেন ওয়াসা অফিসে চেয়ারম্যানকে ওয়াসার পানি দিয়ে শরবত খাওয়াতে। তার পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এগুলো সমাধানে ওয়াসার কোনো উদ্যোগ নেই, অথচ দাম বৃদ্ধির যুক্তি হিসেবে ওয়াসা বলছে উৎপাদন ও পরিচালনা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তাদেরও দাম বাড়াতে হচ্ছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিদেশি ঋণে বিপুল অর্থ ব্যয়ে পদ্মা ও ভার্কুতা প্রকল্পের ব্যর্থতার দায় ওয়াসা জনগণের কাঁধে চাপাতেই পানির দাম বৃদ্ধির ঘোষণা করছে। প্রকল্প ব্যর্থ হলেও তো ঋণের কিস্তি ও সুদ যথারীতি পরিশোধ করতে হয়, আর এ জন্য অর্থ প্রয়োজন, কিন্তু সরকার প্রশাসন ও প্রকল্প পরিচালকদের ব্যর্থতার দায় কেন জনগণ নেবে?

এফএইচএস/এএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]