রাজধানীতে দু’জনের আত্মহত্যা

ঢামেক প্রতিবেদক
ঢামেক প্রতিবেদক ঢামেক প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৭ পিএম, ০২ জুলাই ২০২০
প্রতীকী ছবি

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন দু’জন। তারা হলেন বাড্ডার জহিরুল ইসলাম (২৭) ও ডেমরায় জায়িমা সুলতানা (২০)।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এ ঘটনা দুটি ঘটে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত জহিরুল ইসলামের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, জহিরুল একটি কোম্পানিতে সিনিয়র মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে চাকরি করতেন। গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার কোতোয়ালি উপজেলায়, স্থানীয় আলতাফ হোসেনের ছেলে তিনি। বর্তমানে বাড্ডা সাঁতারকুল এলাকায় একটি বাড়ির পঞ্চম তলায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

তিনি আরও জানান, জহিরুলের রুমের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। বিভিন্ন কারণে মানসিক দুশ্চিন্তায় ছিলেন। এই কারণেই আত্মহত্যা করেতে পারেন বলে স্বজনদের অভিযোগ।

বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আ. রহমান বলেন, ‘আমরা বেলা ১১টার দিকে ওই বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই জানা যাচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

এদিকে ডেমরার একটি বাসায় বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সবার অগোচরে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন জমিয়া সুলতানা। পরে তার খালা দেখতে পেয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর ১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃতের খালা রোকেয়া সুলতানা জানান, তাদের বাড়ি পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলায়। সে আব্দুল ওহাবের মেয়ে। বর্তমানে ডেমরার মুসলিমনগর এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন।

তিনি আরও জানান, দুই ভাইবোনের মধ্যে সে বড়, জায়িমা রাজধানীর মহানগর কলেজে মনোবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

এফআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]