এডিস সার্ভে পরবর্তী মনিটরিং কার্যক্রম সমাপ্ত

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:০৮ পিএম, ১৪ জুলাই ২০২০

স্বাস্থ্য অধিদফতর পরিচালিত মৌসুম-পূর্ব এডিস সার্ভে ২০২০ পরবর্তী ১০ দিনের মনিটরিং কার্যক্রম আজ (১৪ জুলাই) শেষ হয়েছে। গত ৪ জুলাই রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাথে যৌথভাবে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ১৬টি টিম এ কার্যক্রমে সিটি করপোরেশনের সাথে সরাসরি অংশগ্রহণ করে। উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৯টি ওয়ার্ডের মোট ৩ হাজার ৭১৮টি বাড়ি পরিদর্শন করা হয় এবং ৪০১টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া যায়। অভিযান পরিচালনাকালে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতির ভিত্তিতে টিমের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোট ১২ লাখ ৬২ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

মনিটরিং টিমের কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শন করেন। কিছু আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় অফিসের সংখ্যা বেশি হওয়ায় জমানো পানির উৎসও বেশি পাওয়া যায়। যেখানে সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণের অভাব পরিলক্ষিত হয়। এ ছাড়া যেখানে গাড়ির গ্যারেজের সংখ্যা বেশি যেখানে পরিত্যক্ত টায়ারে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিপূর্বক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

মনিটরিং কাজের সাথে জড়িত কর্মকর্তারা জানান, কয়েকটি সরকারি কোয়ার্টার এলাকায় অভিযানে স্যুয়ারেজের লাইনের ঢাকনি, পরিত্যক্ত দইয়ের পাত্র, ডাবের খোলস, কাঁচের ভাঙা বোতল ও রঙের পাত্রে এডিস মশার লার্ভা পরিলক্ষিত হয়। একটি বাস ডিপোতে পরিত্যক্ত টায়ার ও গাড়িতে লার্ভা পাওয়া যায়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণপূর্বক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়।

এ ছাড়া কিছু নিচু বস্তি এলাকায় কয়েকটি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং এ বিষয়ে সচেতনতার অভাব লক্ষ্য করা যায়। এ ছাড়া অন্যত্র কিছু বাড়িতে শোবার ঘরের মেঝেতে পানির পাম্প পাওয়া যায়, যা থেকে নির্গত পানি মেঝেতে জমাটবদ্ধ হয়ে এডিস মশার উৎকৃষ্ট প্রজননস্থল হয়ে উঠতে পারে। এ ব্যাপারে বাড়ির অধিবাসীদের সচেতন করা হয়।

এ ছাড়া বেশ কিছু ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে এডিস মশার কোনো লার্ভা পাওয়া যায়নি, যা আশানুরূপ। বরাবরের মতোই আজও ডেঙ্গুবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টিতে মাইকিং করে ডেঙ্গু ও এডিস মশা প্রতিরোধমূলক তথ্য প্রচার এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এমইউ/জেডএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]