৬ মাসের খাদ্য সহায়তাসহ ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৭ পিএম, ০৪ আগস্ট ২০২০

দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের ছয় মাসের খাদ্য সহায়তাসহ ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে প্রাণ ও প্রকৃতি সুরক্ষা মঞ্চ।

সংগঠনের নেতারা বলেন, ১৯৮৮ সালের চেয়েও এ বন্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। পানি বেশি উঁচুতে না উঠলেও পানি না সরে আটকে থাকবে, যাতে জনজীবন এক দুঃসহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে। সাধারণত জুন-জুলাইয়ের বন্যা এক সপ্তাহ থেকে দশ দিনের মতো স্থায়ী হয়।

মূলত সিলেটের হাওর এলাকা এবং ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা অববাহিকাজুড়ে বন্যা হয়। কিন্তু এবার চট্টগ্রাম, পদ্মার দুই পাড়ের জেলা, উত্তরাঞ্চলের আত্রাই অববাহিকায় পানি চলে এসেছে। এমনকি রাজধানীতেও বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, রাজধানীও বন্যাকবলিত হয়ে পড়বে।

উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে না হতেই এবার আগস্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বন্যা বা জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি হলে দেশের অর্ধেকেরও বেশি জনগোষ্ঠী দুর্ভোগের শিকার হবে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে দেশের শ্রমজীবী, ভূমিহীন, দিনমজুর নিম্ন আয়ের মানুষ খুবই কষ্টে রয়েছে। তার ওপর বন্যা মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে। মানুষের জীবন-জীবিকা একেবারে চরমতম বিপর্যয়ে পড়েছে। খাবার সংকটের পাশাপাশি সুপেয় পানির হাহাকার পড়েছে। এ দুর্যোগে মানুষকে টিকিয়ে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছে প্রাণ ও প্রকৃতি সুরক্ষা মঞ্চ।

পরিস্থিতি বিবেচনায় পরিস্থিতিকে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কমপক্ষে ছয় মাসের খাদ্য সহায়তা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম গ্রহণের জোর দাবি জানায় সংগঠনটি।

এফএইচ/এএইচ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]