বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগ বাড়াতে ৮ রুট

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৫ পিএম, ০৭ আগস্ট ২০২০

বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকেন্দ্রিক যোগাযোগ সম্প্রসারণে নজর দিয়েছে ভারত। গত মাসেই কলকাতা থেকে পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম নৌবন্দর হয়ে ভারতের ত্রিপুরায় যায়। এটি ছিল পরীক্ষামূলক প্রথম পণ্য পরিবহন।

ভারত সরকার আশা করে, পরীক্ষামূলক জাহাজ চলাচলের মাধ্যমে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের পাশাপাশি ঢাকার সঙ্গে বাণিজ্য যোগাযোগ উন্নত হবে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশের সঙ্গে আটটি রুট চিহ্নিত করা হচ্ছে। নয়াদিল্লি মনে করে, আকাশ, নৌ, রেল ও সড়কপথে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে পারস্পরিক কল্যাণের স্বার্থে দুই দেশের মধ্যেই অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।

গত বছর দুই দেশ পণ্য পরিবহনে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপিএস) চূড়ান্ত করে। এ চুক্তিটি নৌ, রেল, সড়ক বা বহুমুখী পরিবহনে বাংলাদেশে পণ্য পরিবহনের অনুমতি দেয়।

এ ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির চিহ্নিত আটটি রুট হলো- চট্টগ্রাম বা মোংলা বন্দর থেকে আখাউড়া হয়ে আগরতলা (ত্রিপুরা), চট্টগ্রাম বা মোংলা বন্দর থেকে তামাবিল হয়ে ডাউকি (মেঘালয়), চট্টগ্রাম বা মোংলা বন্দর থেকে শেওলা হয়ে সুতারকান্দি (আসাম) এবং চট্টগ্রাম বা মোংলা বন্দর থেকে বিবির বাজার হয়ে শ্রীমন্তপুর (ত্রিপুরা) এবং তার বিপরীত রুট।

এ বিষয়ে ভারতীয় এক কর্মকর্তা বলেন, পরীক্ষামূলক এই পরিবহন কার্যক্রম উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভারত সরকার বুঝতে পেরেছে যে, ঢাকায় ভারতের মিত্র সরকার থাকা সত্ত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক উন্নত করতে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন। কারণ একই সময়ে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সংযোগ বাড়াতে অনেক বেশি মনোযোগী। ১ জুলাই থেকে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়ে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করতে সচেষ্ট চীন।

জেপি/এএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]