জাতির পিতার অসাধারণ সাফল্যের নেপথ্যে বঙ্গমাতা

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:৩৬ পিএম, ০৮ আগস্ট ২০২০

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের অনন্য সাধারণ সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের সমর্থন ও নিঃস্বার্থ সহযোগিতা।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনসহ সব অর্জনের নেপথ্যে প্রধান শক্তি হিসেবে কাজ করেছে বঙ্গমাতার ত্যাগ, ধৈর্য এবং জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বঙ্গমাতার আজীবন ত্যাগী মানসিকতা হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে সহযোগিতা করা ও সমর্থন দেয়া।’

‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গেও বঙ্গমাতার অসাধারণ অবদান রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দেয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে বঙ্গমাতার সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। বঙ্গমাতার সহযোগিতা পাওয়ার কারণেই বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনে বড় বড় অর্জন সম্ভব হয়েছে। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সপরিবারে নিজের জীবন দিয়ে আমাদের রক্তঋণে আবদ্ধ করে গেছেন।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সকালে বনানীতে বঙ্গমাতার কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সহকারী প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. কে এম তারিকুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএসএমএমইউ ভিসি নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠা এবং সততার সঙ্গে পালনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে কোভিড-১৯ এর কারণে সৃষ্ট বিশ্ব মহামারির এই দুঃসময়ে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

এমইউ/এমএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]