মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা পরাজয়ের গ্লানি মোচনে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২১ এএম, ১৬ আগস্ট ২০২০

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীরা পরাজয়ের গ্লানি মোচনের জন্য বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর শিশু একাডেমির সম্মেলন কক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। স্বাধীনতা অর্জনের পর বঙ্গবন্ধু যখন অর্থনৈতিক মুক্তি ও সবুজ বিপ্লবের ডাক দিলেন তখনই ষড়যন্ত্রকারীরা জাতির পিতাকে হত্যা করে। পরাজয়ের গ্লানি মোচনের জন্য মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। সপরিবারে হত্যার কারণ ছিল বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নেতৃত্বে যেন স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও শক্তি এদেশে আর ঘুরে দাড়াতে না পারে।

তিনি বলেন, ঘাতকেরা ১৫ আগস্ট নারী ও শিশুদেরও হত্যা করে, যা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক হত্যাকাণ্ড। খুনিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বঙ্গবন্ধুর আদর্শকেও হত্যা করতে চেয়েছিল। তারা দেশকে আবার পাকিস্তানে পরিণত করতে চেয়েছিল। তবে তারা সফল হতে পারেনি। শত চেষ্টা ও ইতিহাস বিকৃতি করেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি।

ভার্চুয়ালি দেশের ৮টি বিভাগের শিশুদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু বিষয়ে ছড়া, কবিতা ও স্বরচিত কবিতা পাঠের আয়োজনে অংশগ্রহণ করে শিশুদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা শিশুদের খুব ভালবাসতেন ও তাদের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করতেন। দুস্থ ও অসহায় শিশুদের পরম মমতায় কাছে টেনে নিতেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৬৩ সালে ঢাকায় প্রেস ক্লাবে কচি-কাঁচার মেলা আয়োজিত শিশু আনন্দ মেলায় এসে বলেছিলেন, ‘এই পবিত্র শিশুদের সঙ্গে মিশি মনটাকে হালকা করার জন্য’।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব কাজী রওশন আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক জ্যোতি লাল কুরী, জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাকসুরা নূর, অতিরিক্ত সচিব ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত সচিব মহিউদ্দীন আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও দফতর-সংস্থার প্রতিনিধিরা।

আরএমএম/এমএসএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]