ড্রোন ওড়ানোর নীতিমালা স্পষ্ট করলো মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:২৩ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
ফাইল ছবি

ড্রোন উড্ডয়ন কার্যক্রম সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণের জন্য গত ১৪ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভায় ‘ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা ২০২০’ অনুমোদিত হয়েছে। নীতিমালার বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ড্রোন উড্ডয়ন নিয়ে খবর প্রচারিত হওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, নীতিমালা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে কিছু তথ্যগত ভুল থাকায় তা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অবকাশ রয়েছে। এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মতামত দেয়া হলো।

১. ‘ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা ২০২০’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে কিন্তু তা গেজেট আকারে এখনো প্রকাশিত হয়নি। নীতিমালার গেজেট প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দফতর/সংস্থার প্রস্তুতি গ্রহণের পূর্বে এ নীতিমালার আওতায় কোনো ব্যক্তি/সংস্থা ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন করতে পারবে না।

২. কোনো কোনো পত্রিকায় ‘ক’ শ্রেণির ড্রোন ৫০০ ফুট উচ্চতায় উড্ডয়নের যে তথ্য প্রদান করা হয়েছে তা ভুল। নীতিমালা অনুযায়ী ‘ক’ শ্রেণির ড্রোন হচ্ছে বিনোদনের কাজে ব্যবহৃত ড্রোন। এ শ্রেণির ড্রোন বিমানবন্দর/কেপিআইয়ের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে উড্ডয়ন করতে পারবে না। তবে ৩-৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ৫০ ফুট উচ্চতায় এবং ৫ কেজির কম ওজনের ড্রোন উড্ডয়ন করতে পারবে। বিমানবন্দর/কেপিআইয়ের ৫ কিলোমিটারের বাইরে ১০০ ফুটের বেশি উচ্চতায় এবং ৫ কেজির বেশি ওজনের ড্রোন নিবন্ধন ও অনুমতি ছাড়া উড্ডয়ন করা যাবে না।

৩. ৫০ থেকে ১০০ ফুটের বেশি উচ্চতায় উড্ডয়ন করতে সক্ষম এবং ড্রোনের ওজন ৫ কেজির বেশি হলে ‘ঘ’ ব্যতীত যে কোনো শ্রেণির ড্রোন উড্ডয়নের জন্য বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ হতে নিবন্ধন এবং অনুমতি গ্রহণের প্রয়োজন হবে।

৪. এ বিষয়ে কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিভিল এভিয়েশন অনুবিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

এআর/এইচএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]