শরতে চৈত্রের দাবদাহ, সাগরে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ১১:১৫ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

বলা হয় ‘ভাদ্র মাসের ১৩ তারিখ শীতের জন্ম’। অথচ এই আশ্বিনেও চৈত্র মাসের দাবদাহই যেন বয়ে যাচ্ছে। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম নগরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বেশি ও স্বাভাবিকের চেয়ে ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।

আজ রোববারও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। সকাল ৯টায়ই ৩০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস।

এদিকে কাঠফাটা রোদে জনজীবনে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। প্রচণ্ড রোদে কাহিল হয়ে পড়ছেন শ্রমিক, দিনমজুর শ্রেণির কায়িক শ্রমজীবীরা।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে।

jagonews24

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ ড. শহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘শুধু চট্টগ্রাম নয়, পুরো উপকূলীয় অঞ্চলেই তাপমাত্রা বেশি অনুভব হচ্ছে। বাতাসে আদ্রতা বেশি থাকায় গরমও বেশি অনুভূত হচ্ছে। এছাড়াও বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে। এ কারণে গরম বেড়েছে।’

তিনি জানান, শনিবার চট্টগ্রাম নগরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শহরের বাইরে এ পরিমাপ ছিল ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটাও স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।

সন্দ্বীপের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাঙামাটিতে ৩৬ ডিগ্রি, কুমিল্লায় ৩৫.৫ ডিগ্রি এবং ফেনীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তরপূর্ব ও পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগরে আজ অথবা আগামীকালের মধ্যে একটি লঘুচাপ তৈরি হতে যাচ্ছে জানিয়ে আবহাওয়াবিদ ড. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পরে এটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আগামী ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বেরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র বন্দরগুলোতে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হতে পারে।’

এসআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]