এলইডি বাতিতে আলোকিত হচ্ছে ডিএনসিসির সড়ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫৫ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

২০২১ সালের নববর্ষে নগরবাসীর জন্য উপহার হিসাবে সড়কে এলইডি বাতি দেয়ার ঘোষণা আগেই দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। এলইডি সড়ক বাতি সরবরাহ ও স্থাপন (১ম সংশোধিত) শীর্ষক সমগ্র প্রকল্পটির কাজ আসছে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে সময় কয়েক মাস বেশি লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ৮ সেপ্টেম্বর ডিএনসিসির নগর ভবনে এলইডি লাইট স্থাপনে ডিএনসিসি ও বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এলইডি সড়ক বাতি স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডিএনসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম এবং বিএমটিএফের মহাব্যবস্থাপক (বিপনন) লে. কর্নেল তোফায়েল আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

জানা গেছে, ডিএনসিসিতে ‘এলইডি সড়ক বাতি সরবরাহ ও স্থাপন’ (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পটি গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদিত হয়। সংশোধিত প্রকল্পের ব্যয় ৩৬৯ কোটি ১৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা। মূল প্রকল্পে ৪২ হাজার ৪৫০টি সড়ক বাতি স্থাপনের কথা থাকলেও সংশোধিত প্রকল্পে ৪৬ হাজার ৪১০টি এলইডি বাতি স্থাপন করা হবে।

এর মধ্যে ১৫০ ওয়াটের তিন হাজার ৪০৮টি, ১২০ ওয়াটের তিন হাজার ৬৪৬টি, ৯০ ওয়াটের তিন হাজার ২৯টি, ৬০ ওয়াটের ১০ হাজার ৬৬৬টি, ৪০ ওয়াটের ২৫ হাজার ৬৬১টি এলইডি বাতি স্থাপন করা হবে। এলইডি সড়ক বাতি স্থাপন বাবদ ৩১৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে রয়েছে বাতি ক্রয়, পোল ক্রয় ও স্থাপন, ফিটিংস, কন্ট্রোলিং সিসটেম, সফটওয়ার, ওভারহেড ক্যাবলস ইত্যাদি।

সড়ক বাতিগুলো পোল্যান্ড থেকে ক্রয় করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ৪৯ কোটি ৪০ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয় হবে হাইড্রোলিক গাড়ি ও অন্যান্য গাড়ি, যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং অন্যান্য খরচ বাবদ। সমগ্র প্রকল্পের কাজ চলতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে করোনার কারণে সময় কয়েক মাস বেশি লাগতে পারে।

এলইডি লাইট স্থাপনে ডিএনসিসি ও বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪২ হাজার ৫০০ লাইট ২০২১ সালের মধ্যে স্থাপন করতে পারবো। নগরবাসীর জন্য এটি হবে ২০২১ সালে নববর্ষের উপহার। ১ জানুয়ারি ডিএনসিসির কিছু অংশে এ লাইট জ্বলবে।

তিনি বলেন, নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ঢাকা শহর করার জন্য আমারা যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলাম, সেই প্রত্যয়ের মধ্যে একটি হলো ঢাকা শহরকে আলোকিত রাখা। আমরা যে লাইটগুলো স্থাপন করছি তার প্রত্যেকটা ইউরোপে তৈরি। এগুলোর প্রত্যেকটির ১০ বছরের ওয়ারেন্টি পিরিয়ড রয়েছে। বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি কাজটি সুচারুরূপে বাস্তবায়ন করবে। ওয়ারেন্টি পিরিয়ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজটিও বিএমটিএফ করবে।

এএস/এএইচ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]