আরও ১০ জেলায় চালু হচ্ছে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:২১ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নতুন করে আরও দশ জেলায় চালু হচ্ছে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি। জেলা দশটি হলো সুনামগঞ্জের তাহেরপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর, ফরিদপুরের সালতা, নেত্রকোনার কেন্দুয়া, পটুয়াখালী সদর কিশোরগঞ্জের মিঠাইমইন, পাবনার বেড়া, কক্সবাজারের মহেশখালী, যশোরের বাঘারপাড়া ও মাদারীপুরের শিবচর।

সম্প্রতি সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অষ্টম বৈঠকের কার্যপত্র থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, পাইলটিং কর্মসূচির মাধ্যমে ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমে সপ্তম পর্ব পর্যন্ত ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি সম্প্রসারিত হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩৭ জেলার ১২৮ উপজেলা এ কর্মসূচির আওতায় এসেছে।

ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির অধীনে এ পর্যন্ত ২২ লাখ ৯ হাজার ৯১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে অস্থায়ী কর্মসংযুক্তি প্রাপ্ত ২২ লাখ ৭ হাজার ৫৭৫ জন। কর্ম সংযুক্তিতে ২০০৯-১০ অর্থবছরে থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত তিন হাজার ১৮০ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চলতি অর্থবছর এ কর্মসূচির বরাদ্দ ৫৭৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

মন্ত্রণালয় থেকে উত্থাপিত বৈঠকের কার্যপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারদলীয় নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য ২০০৯-১০ অর্থবছরে চালু হয় এ কর্মসূচি।

কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব মহিলা যারা শিক্ষিত (উচ্চ মাধ্যমিক ও তার বেশি) এবং বয়স ২৪ থেকে ৩৫ তারা এ কর্মসূচির উপকারভোগী।

এদিকে সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবন সংলগ্ন পরিত্যক্ত সুইমিংপুলটি ভেঙে ২৫-৩০ তলাবিশিষ্ট একটি মাল্টিপারপাস বিল্ডিং তৈরির সুপারিশ করেছে কমিটি।

বৈঠকে বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের জন্য একজন পুরুষ ও একজন নারী কোচ নিয়োগ, প্রশিক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের স্থায়ী জায়গা/মাঠের ব্যবস্থা এবং অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করে কমিটি।

কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, আব্দুস সালাম মুর্শেদী, জুয়েল আরেং এবং এ এম নাঈমুর রহমান বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিকেএসপির মহাপরিচালক, বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের সভাপতি, বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন সংস্থা প্রধানসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এইচএস/এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]