বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিপৎসীমার ওপরে আত্রাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১৮ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
ফাইল ছবি

দেশে বন্যা পরিস্থিতির ফের অবনতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে উঠেছে। নতুন করে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে আত্রাই নদীতে। এ নিয়ে মোট পাঁচটি নদীর পানি পাঁচটি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তাদের তথ্যানুযায়ী, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, সিংড়া পয়েন্টে গুড় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, আত্রাই পয়েন্টে আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার ওপর এবং লরেরগড় পয়েন্টে যদুকাটা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নদনদীর অবস্থা তুলে ধরে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজান মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যদিকে উজানে ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত আছে। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশের জাফলংয়ে ১৩০, লালাখালে ৮০, রাঙ্গামাটিতে ৬৩, ঠাকুরগাঁওয়ে ১১০, দিনাজপুরে ৭১, নাকুয়াগাঁওয়ে ৬১, পঞ্চগড়ে ১০৯, ভৈরব বাজারে ৭০, কুমিল্লায় ৬০, ডালিয়ায় ৯৬, নরসিংদীতে ৬৩ এবং ছাতকে ৫৮ মিলিমিটার।

একই সময়ে উজানে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়েছে চেরাপুঞ্জিতে ২০২, ধবরিতে ৫৯, পাসিঘাটে ৯৯, আগরতলায় ৫৪, জলপাইগুড়িতে ৮৪ ও দার্জিলিংয়ে ৩৬ মিলিমিটার।

পিডি/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]