নারীর নিরাপত্তায় মুঠোফোনে বিশেষ ট্র্যাকার সংযুক্তির আহ্বান

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:২৮ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

নারীর নিরাপত্তায় মুঠোফোনে বিশেষ ট্র্যাকার সংযুক্তির আহ্বান জানিয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদকে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ই-মেইলে চিঠিটি পাঠানো হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও অপারেটরগুলোর সিইও বরাবর চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের চিঠিতে বলা হয়, দেশে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ চরম আকার ধারণ করেছে। আমরা গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। গত বছর পাঁচ হাজার ৪০০টি নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ধর্ষণের হার ৩.৮০ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি এক লাখে চারজন নারী ধর্ষিত হয়েছেন। চলতি বছর জানুয়ারির প্রথম ১০ দিনে ধর্ষিত হয়েছে ১২৮ জন নারী। আর করোনা মহামারিতে ধর্ষিত হয়েছে ৯৩৪ জন নারী। বিষয়টি জনমনে অত্যন্ত উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

আন্তর্জাতিক তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশ ধর্ষণের দিক থেকে সারা পৃথিবীতে ৪০তম অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে চিঠিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক উন্নত দেশে ইতোমধ্যে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন রোধে মোবাইল ফোনে বিশেষ প্রযুক্তি অ্যাপ ও ট্র্যাকার সংযুক্ত করা হয়েছে। কোনো কোনো দেশে হ্যান্ডসেট ডিভাইসের সঙ্গে পিপার স্প্রের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে ও অপব্যবহার রোধে আমরা পিপার স্প্রের পক্ষে নই। আমরা চাই প্রতিটি অপারেটর তাদের গ্রাহকদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ অ্যাপস-ট্র্যাকার বা এক ডিজিটের ফ্রি কলিংয়ের ব্যবস্থা করুক। এতে করে কোনো নারী নির্যাতন বা ধর্ষণের পরিস্থিতিতে পড়লে ওই অ্যাপস বা ট্র্যাকার ব্যবহার করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় ৯৯৯ বা ওই নারীর আশপাশের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাহিনীর কাছে লোকেশনসহ তথ্য চলে যাবে। এতে করে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ থেকে অনেক রেহাই পাবে বলে আমরা মনে করি।

এসআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]