ডিএনসিসিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু ৪ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৮ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

আগামী ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতিত) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হবে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিনামূল্যে খাওয়ানাে হবো।

বুধবার বিকেলে গুলশানের নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাে. মােমিনুর রহমান মামুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সভায় জানানো হয়, শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও দৃষ্টি শক্তির জন্য ভিটামিন ‘এ’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক অণুপু্ষ্টি। ভিটামিন ‘এ’ চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ও শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখে এবং বিভিন্ন রােগের বিরুদ্ধে প্রতিরােধ ক্ষমতা তৈরি করে থাকে। ভিটামিন ‘এ’র অভাবে রাতকানাসহ চোখের অন্যান্য রোগ, শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া, রক্তশূন্যতা এমনকি শিশুর মৃত্যু হতে পারে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী, বছরে ২ বার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানাের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

jagonews24

এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলের আওতাধীন ৫৪টি ওয়ার্ডে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতিত) পরিচালনা করা হবে। ক্যাম্পেইন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদানের লক্ষ্যে এ কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ইতােমধ্যে প্রয়ােজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে বলে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ক্যাম্পেইনের প্রস্তুতি বিষয়ে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সের শিশুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯৯টি। ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪০ হাজার ৬২০টি। ক্যাম্পেইনে মোট কেন্দ্র থাকবে ১৯০৫টি, মোট স্বাস্থ্যকর্মী-স্বেচ্ছাসেবী ৩৮১০ জন। সবমিলিয়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭ হাজার ১০১৯ জন শিশু। সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ভিজিলেন্স টিম নিয়োজিত থাকবে।

এএস/এমএসএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]