টুটুল হত্যাচেষ্টা: বহিষ্কৃত মেজর জিয়াসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:০০ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০২০

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ‘শুদ্ধস্বর’ প্রকাশনা অফিসে ঢুকে প্রকাশক আহম্মেদ রশিদ চৌধুরী টুটুলকে হত্যাচেষ্টার মামলায় বহিষ্কৃত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হকসহ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করে ডিবি। বৃহস্পতিবার এক প্রেস বার্তায় ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ বিষয়টি জানায়।

ডিএমপি জানিয়েছে, আলোচিত এ হত্যাচেষ্টা মামলার ১০ আসামির মধ্যে ৮ জনই ডিবির হাতে গ্রেফতার হয়েছে, বাকি ২ জন পলাতক। গ্রেফতারদের মধ্যে ৪ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখিত বাকি আসামিরা হলেন- মো. সুমন হোসেন পাটোয়ারী, হাফেজ মো. সবুর ওরফে সামাদ ওরফে রাজু, মইনুল হাসান শামীম, মো. রশিদ-উন-নবী ভুইয়া টিপু, মো. আবু সিদ্দিক সোহেল, মোজাম্মেল হোসেন সায়মন, মো. আরাফাত রহমান, মো. শেখ আব্দুল্লাহ ও মো. মর্তুজা ফয়সাল সাব্বির।

তদন্ত ও আসামিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গ্রেফতাররা ঘটনার মূলহোতা পলাতক আসামি মেজর (বহিষ্কৃত) সৈয়দ মো. জিয়াউল হকের নাম প্রকাশ করে এবং নিজেদের জঙ্গিগোষ্ঠী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য বলে পরিচয় দেন।

তদন্ত শেষে তদন্তে প্রাপ্ত জঙ্গিগোষ্ঠী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের পলাতক আসামি জিয়াউল হক ও মর্তুজা ফয়সাল সাব্বিরসহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এর আগে ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুরে মোহাম্মদপুরে ‘শুদ্ধস্বর’ প্রকাশনা অফিসে অজ্ঞাত ৩-৪ জন দুষ্কৃতিকারী প্রবেশ করে টুটুলকে রামদা ও চাপাতি দিয়ে মাথায়, কপালে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। একই সঙ্গে টুটুলের সহকর্মী তারেক ও রনদিপম বসুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে গুলি করে। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা হয়। ২০১৫ সালের ৩ নভেম্বর মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

এআর/এমএসএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]