করোনা পরিস্থিতিতে লাইসেন্স জামানতের ৫০% ফেরত পাচ্ছে হজ এজেন্সি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:০৬ পিএম, ০৬ অক্টোবর ২০২০

মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে হজ ও ওমরাহ লাইসেন্সের জামানতের ৫০ শতাংশ অর্থ আগামী এক বছরের জন্য কর্জে হাসানা (ফেরৎযোগ্য) হিসেবে প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সব হজ ও ওমরাহ হজ এজেন্সির অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কোভিড-২৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রণোদনা প্রদান সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এবং হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এজেন্সিগুলোকে হজ ও ওমরাহ লাইসেন্সের জামানতের ৫০ শতাংশ টাকা নিম্ন লিখিত শর্তে ফেরৎযোগ্য হিসেবে প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

>> আগ্রহী হজ ও ওমরাহ হজ এজেন্সিকে এ-সংক্রান্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হজ ও ওমরাহ উভয় এজেন্সি কর্তৃক মন্ত্রণালয়ে রক্ষিত ও লিয়েনকৃত জামানতের ২০ লাখ টাকার ৫০ শতাংশ অর্থাৎ ১০ লাখ টাকা ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অবশ্যই ফেরত দিয়ে সমন্বয় করতে হবে।

>> আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বরের মধ্যে মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংযুক্ত ছকে আগ্রহী হজ ও ওমরাহ এজেন্সিকে আবেদন করতে হবে।

>> জামানতের ৫০ শতাংশ (ফেরৎযোগ্য) অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর) যুগ্মসচিব (হজ) বরাবর ফেরত প্রদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির লাইসেন্স সরাসরি বাতিল করা হবে।

যে সব হজ ও ওমরাহ এজেন্সি এ পর্যন্ত জামানতের অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা প্রদান করেনি বা যে সব এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল, স্থগিত বা জামানত বাজেয়াপ্তসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি বিদ্যমান রয়েছে বা ধার্যকৃত জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেনি বা আদালতে রিট মামলা চলমান, সে সব এজেন্সির আবেদন বিবেচনা করা হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এমইউ/এসআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]