ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে বাধা দেয়া দুর্বৃত্তদের প্রতি অনুকম্পা নয়

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:৪৫ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০২০

ইলিশ সম্পদের উন্নয়নে বাধা দেয়া দুর্বৃত্তদের প্রতি সরকারের ন্যূনতম অনুকম্পা থাকবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সবাই মিলে সফল করতে হবে। কিছু প্রতিকূলতা ও সমস্যা রয়েছে। এ সমস্যা ও প্রতিকূলতা আমাদের সদিচ্ছা ও সৃজনশীলতা দিয়ে অতিক্রম করতে হবে। সমস্যা অতিক্রম করে কাজ করতে পারলেই সফলতা আসবে। মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। আইনের প্রয়োগকে আমরা এমন জায়গায় নিয়ে এসেছি যে, দুর্বৃত্ত যারা দেশের উন্নয়নে, মাছের উন্নয়নে বাধা, সে দুর্বৃত্তদের প্রতি আমাদের কোনো রকম অনুকম্পা থাকবে না।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২০ সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে অনলাইন মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মো. ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকার উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বিভাগীয় কমিশনার, নৌপুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম, ইলিশ সম্পৃক্ত ৩৬ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, মৎস্য অধিদফতরের বিভাগীয় উপপরিচালক, ইলিশ সম্পৃক্ত ৩৬ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী সদরদফতরের প্রতিনিধিরা সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, ইলিশের যেন বিস্তার ঘটে, মা ইলিশ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, ইলিশ আহরণের পরিসর যেন আরও বাড়ানো যায়, সেজন্য মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিশেষ করে পুলিশ, র্যাব, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ভূমিকা রাখতে হবে। নিষেধাজ্ঞাকালে কোনোভাবেই যেন ইলিশ আহরণ না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। এসময় মৎস্য আহরণে বিরত থাকা মৎস্যজীবীদের জন্য ইতোমধ্যে ভিজিএফ চাল মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে একটা বিপ্লব হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন এ বছর অভাবনীয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই বিপ্লবের সাফল্য মন্ত্রণালয়সহ মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তার। এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি জায়গায় মৎস্য সম্পদকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। মৎস্য খাতের ব্যাপক সফলতা দেশে এবং দেশের বাইরে আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। আমরা আশা করছি অদূর ভবিষ্যতে বিদেশে মাছ রফতানির মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ করে দিতে পারবো।

দেশের ইলিশ সম্পদের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিশেষ করে পুলিশ, র্যাব, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সভায় ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

এইচএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]