বাংলাদেশ-অস্ট্রিয়া সরাসরি ফ্লাইট, চুক্তি অনুমোদন মন্ত্রিসভায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৯ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২০

বাংলাদেশ ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চলাচলে চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট বিটুইন দ্য অস্ট্রিয়ান ফেডারেল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড দ্য গভর্নমেন্ট অব দ্য পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক চুক্তির খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের ১৬ মে ভিয়েনায় বাংলাদেশ ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিমান চলাচল চুক্তি অনুস্বাক্ষরিত হয়। প্রস্তাবিত চুক্তিটি স্বাক্ষর হলে বাংলাদেশ ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে একটি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার মূল ভিত্তি হিসেবে পরিগণিত হবে।’

‘দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ স্থাপিত হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, শ্রমবাজার, শিল্প, স্বাস্থ্যখাত ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়বে। একই সঙ্গে ইউরোপ ও অন্যান্য দেশের সাথে বিমান যোগাযোগ সহজ হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘ভিয়েনায় অনেকগুলো আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় রয়েছে। সেজন্য এটা আমাদের জন্য সেদিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এটা সম্পূর্ণ ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের যে চুক্তি সে অনুসারে করা হয়েছে।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘চুক্তির মূল বিষয়টি হলো- উভয় দেশ পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে যাত্রী ও কার্গো ফ্লাইটের সংখ্যা নির্ধারণ করতে পারবে। চুক্তি অনুস্বাক্ষরের তারিখে একটি সমঝোতা স্মারকের দ্বারা উভয় দেশের মনোনীত বিমান সংস্থা সপ্তাহে সাতটি যাত্রী ও কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে।’

‘কোনো ধরনের ডিসপিউট (বিতর্ক) হয় তাহলে নিজেরা আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করবে। যদি না পারে তাহলে আরবিটেশনের সাহায্য নিতে পারবে’ বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আরএমএম/জেএইচ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]