টাওয়ার ব্যবহারে ডিএসসিসিকে সাড়ে ৯ কোটি টাকা দিল গ্রামীণফোন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০৭ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২০

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় মোবাইল টাওয়ার ব্যবহার বাবদ করপোরেশনকে ৯ কোটি ৬৩ লাখ সাত হাজার ৩৮৫ টাকা অর্থ পরিশোধ করেছে মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। ২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া বাবদ এ অর্থ দিয়েছে অপারেটরটির কর্তৃপক্ষ।

গত ১৮ অক্টোবর সকালে নগর ভবনে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে গ্রামীণফোনের কর্মকর্তারা বকেয়া পরিশোধের চেক হস্তান্তর করেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিষয়টি জানিয়েছেন ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের।

গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বকেয়া আদায় প্রসঙ্গে ডিএসসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক বলেন, আইন ও তফসিল অনুযায়ী মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছ থেকে করপোরেশনের অর্থ প্রাপ্য হলেও এ বিষয়ে উদ্যোগের অভাবে এ খাত থেকে কখনো অর্থ আদায় করা যায়নি। কিন্তু ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের নির্দেশনায় আমরা এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করি এবং সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে করপোরেশন এলাকায় ব্যবহৃত টাওয়ারের তথ্য-উপাত্ত চেয়ে চিঠি দিই। তারই আলোকে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ তাদের টাওয়ারগুলোর সার্বিক বিবরণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে এবং আমাদের সাথে কয়েক দফা বৈঠকের মাধ্যমে বিগত সাত বছরের সমুদয় বকেয়া বাবদ ৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকার অধিক অর্থ পরিশোধ করে।

আরিফুল হক বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, অন্যান্য মোবাইল ফোন অপারেটরও গ্রামীণফোনের কার্যক্রম অনুসরণ করে দ্রুততার সহিত করপোরেশনের কাছে তাদের সমুদয় বকেয়া পরিশোধ করবে।

আদর্শ কর তফসিল ২০১৬ এর ১০(৪.২৯৭) ধারা অনুযায়ী, করপোরেশন এলাকায় মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো তাদের টাওয়ার/বিটিএস ব্যবহারে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকের সাথে যে চুক্তি সম্পাদন করে থাকে, সম্পাদিত সেই চুক্তির ছয় ভাগের এক ভাগ অর্থ করপোরেশনকে দিতে হয়। ইতোপূর্বে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি বিধায় করপোরেশন মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছ থেকে বড় অংকের রাজস্ব আহরণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলো।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, গ্রামীণফোনের স্টেট এজেন্সি এঙ্গেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট বিভাগের পরিচালক এস এম রায়হান রশিদ, টাওয়ার ইনফ্রা অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. ফিরোজ উদ্দীন এবং ট্যাক্সেশন অ্যান্ড ফিসক্যাল কমপ্লায়েন্স বিভাগের প্রধান পরিচালক মো. আরিফ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এএস/এইচএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]