বিএমএ ও স্বাচিপের চার শীর্ষ নেতার যৌথ বিবৃতি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৪:৫৮ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০২০

সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্তাব্যক্তির বক্তব্যকে অযাচিত আখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে চিকিৎকদের দুই শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) শীর্ষ চার নেতা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী এবং স্বাচিপ সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্তাব্যক্তির অযাচিত বক্তব্য দৃষ্টিগোচর হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের সাথে পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, যখনই দেশের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূরীকরণের কথা বলা হয়, যখনই স্বাস্থ্য ক্যাডারসহ অন্য ক্যাডারে প্রশাসন ক্যাডারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পার্শ্ব অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে কথা বলা হয়, যখনই চিকিৎসকদের পদমর্যাদা, চাকরিবিধি অনুযায়ী পদোন্নতির কথা বলা হয়, যখনই মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির বিষয়টি সকলের দৃষ্টিগোচরে আসে, যখনই পদোন্নতির ক্ষেত্রে যোগ্যতা, জ্যেষ্ঠতা, দক্ষতার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের আনুগত্যের কথা বলা হয় তখনই ঢালাওভাবে চিকিৎসক নেতাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা মূল বিষয়গুলো আড়াল করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হন।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, চিকিৎসকদের মানমর্যাদা ও অধিকার ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কাজ কিংবা সরকারের পদায়ন নীতিমালা কিংবা ক্যাডার বৈষম্য সৃষ্টিকারী যেকোনো কর্মকাণ্ডের অথবা স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসন কল্পে যে কোন আদেশ নির্দেশের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান অতীতেও ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

এমইউ/এনএফ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]